ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি
২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানের সময় যাত্রাবাড়ী থানার অস্ত্রাগার থেকে গোলাবারুদ পৌঁছে দেন এসআই মৃগাংক শেখর
ট র ইব য ন ল জব – ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেওয়া হয়েছে এসআই মৃগাংক শেখর তালুকদার কর্মকান্ডের বিস্তারিত বিবরণ। তিনি জানান যে, গণঅভ্যুত্থানের সময় সায়েদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে সামনে যাওয়ার আগে অস্ত্রাগার থেকে বিভিন্ন স্থানে গোলাবারুদ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, তার কাছে একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে কনস্টেবল মোবারক বলেন যে কিছু গুলি ওয়ারী বিভাগের ডিসি অফিসের সামনে পৌঁছে দিতে হবে। এ সময় সেই গুলি ও গ্রেনেডগুলি সংগ্রহ করা হয়।
ট্রাইব্যুনালের জবানবন্দি প্রক্রিয়ায় এসআই মৃগাংক শেখর বর্ণনা করেন যে, প্রতিদিন বিভিন্ন ইউনিটের প্রয়োজন হলে অস্ত্রাগার থেকে গোলাবারুদ প্রদান করা হত। এ কারণে জুলাইয়ে কনস্টেবল মোবারক তাঁকে জানান যে কিছু গুলি ওয়ারী বিভাগের ডিসি অফিসের সামনে পৌঁছে দিতে হবে। অস্ত্রাগারে গেলে চাইনিজ রাইফেল থেকে ১০০টি গুলি এবং ২০টি গ্রেনেড দেওয়া হয়। এগুলি সায়েদাবাদ পুলিশ ফাঁড়িতে আইসি এহসানের কাছে পৌঁছে দেন।
পরে তিনি আরও কিছু গুলি শনির আখড়া এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন। সেখানে অস্ত্রাগারে গেলে চাইনিজ রাইফেল থেকে ১০০টি গুলি এবং শটগান থেকে ২৫০টি গুলি প্রাপ্ত হন। তিনি গ্রেনেডগুলি সহ এগুলি শনির আখড়া এলাকায় নিয়ে যান। এই মামলায় মোট ১১ জন আসামি রয়েছে যাদের মধ্যে ৯ জন পলাতক। এই বিবরণ অস্ত্রাগার থেকে গোলাবারুদ বিতরণের প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে মৃগাংক শেখর দ্বারা দেওয়া প্রমাণ করে সামগ্রিক চালানের বিস্তার করে।
ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দির প্রক্রিয়া
ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেওয়া প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিবরণ অনুযায়ী, মৃগাংক শেখর কর্মকান্ডের প্রতিটি ধাপ বর্ণনা করেন। তিনি আরও বলেন যে, পুলিশ ফাঁড়িতে গোলাবারুদ বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয় এবং তা কর্মকান্ডের কাজে ব্যবহার করা হয়। ট্রাইব্যুনাল প্রতিবেদন অনুযায়ী এগুলি বিভিন্ন স্থানে স্থানান্তরিত করা হয়। তিনি আরও বলেন যে, এসআই হিসেবে তাঁর কাজ ছিল সংগ্রহ করা এবং প্রয়োগ করা।
তিনি মনে করেন যে, ট্রাইব্যুনালের জবানবন্দি প্রক্রিয়াটি গণঅভ্যুত্থানের সময় অস্ত্রাগার থেকে গোলাবারুদ প্রদান করার কারণ তৈরি করেছিল। পরে তিনি গোলাবারুদ নিয়ে শনির আখড়া এলাকায় যান যেখানে কর্মকান্ডে