বিজয়ের সাফল্যে হিংসা নয়, যা বললেন রজনীকান্ত
ব জয় র স ফল য হ – ব জয় র স ফল য হ র সাফল্য তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক চরম স্তরে নতুন মাত্রায় স্থাপন করেছে। তামিল সিনেমার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের প্রতিষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর থেকে তাঁর সাফল্য বিশ্লেষণের বিষয়টি এখন পর্যন্ত কমপক্ষে চারটি মুখ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। বিজয়ের নতুন পদ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলি আরও উৎসাহিত হয়েছে, যেখানে অনেক সুপারস্টার তাঁর সাফল্য উপলব্ধি করছেন এবং তাঁর জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। কিন্তু প্রথম দিকে সবচেয়ে বিখ্যাত তারকা রজনীকান্ত এই বিষয়ে নীরব থাকায় অনেকে তাঁর প্রতি প্রশ্ন তুলেছিলেন। এই নীরবতার কারণ হিসেবে রজনীকান্ত সাফল্যের প্রতি হিংসা প্রকাশ করছেন না বলে জানান হয়েছে। তিনি বলেন যে বিজয়ের বয়সের ব্যবধান প্রায় ২৫ বছর হওয়ায় তিনি তাঁকে প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবেন না, তবে তাঁর সাফল্যে কিছু বিষম রস পেয়েছেন বলে মনে হয়।
ব জয় র স ফল য হ র প্রতিক্রিয়া কেন্দ্র হয়ে ওঠা বিস্ময়কর। তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক দৃশ্যে এই সাফল্য সামাজিক মাধ্যমে গৃহীত হয়েছে এবং প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে তার সমর্থকদের সংখ্যার সাথে। তামিল সিনেমার বিখ্যাত ক্ষেত্রে বিজয় যে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত, তার রাজনৈতিক স্বাগত তার বিস্ময়কর সমর্থনের প্রতি প্রমাণ হয়েছে। বিজয়ের সাফল্যে বিশেষ করে তামিলনাড়ু রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন চাঁদ চালানো বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে এবং কমপক্ষে সাতটি মুখ্য বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে রজনীকান্তের মতো জনপ্রিয় চরিত্র নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে যে বিজয়ের সাফল্যে কোনও হিংসা প্রকাশ হয়নি।
রজনীকান্তের স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া
বিজয়ের সাফল্য আমাদের এম জি রামাচন্দ্রন ও এন টি রামা রাও-এর চেয়ে বড় হয়েছে। সেই সাফল্য দ্বারা শক্তিশালী রাজনৈতিক দলগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করে জয় পাওয়া সত্যিই বিস্ময়কর।
রজনীকান্ত তামিলনাড়ুর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসামূলক মন্তব্য করেন যে বিজয়ের সাফল্যে হিংসা নয়। তিনি বলেন যে বিজয় তামিল সিনেমার পরিচিত সুপারস্টার হিসেবে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রবেশ করেছেন এবং তাঁর সাফল্যে কোনও বিষম রস পেয়েছেন না। তাঁর মতে বিজয়ের রাজনৈতিক যাত্রা তামিলনাড়ুর মূল সামাজিক বিষয়ে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করছে। রজনীকান্ত যে তামিলনাড়ু