ডিজিটাল ভূমিসেবার নতুন যুগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
ড জ ট ল ভ ম স – প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন যে ভূমি ব্যবস্থাপনার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের জন্য নিরাপত্তি ও স্থিতির সাথে এটি মানুষের জীবিকার এবং ভবিষ্যতের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। তিনি সারা দেশে তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন করেন এবং এই মেলার মাধ্যমে ভূমি প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রস্তুতি ঘোষণা করেন।
যুগ যুগ ধরে ভূমি সংক্রান্ত হিসাব ও বাটোয়ারা একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তিনি বলেন যে কোন জমির মালিকানা বহুবার পরিবর্তিত হয়েছে এবং পরিবারের মধ্যে বিভিন্ন শরিকদের মধ্যে সামান্য বণ্টন ঘটেছে। ফলে ভূমি রেকর্ড রাখার দায়িত্ব আরও বেড়েছে।
তিনি বলেন, “মালিকানা, খাজনা, দলিল ও খতিয়ান এসব শব্দ ভূমি মালিকদের হাতে পরিচিত। এগুলো সম্পর্কে আগে মানুষকে ভূমি অফিসে যেতে হতো, কিন্তু প্রযুক্তির সাহায্যে এখন অনলাইনে অধিকাংশ ভূমিসেবা গ্রহণ করা সম্ভব।”
তিনি আরও জানান যে দেশের ৬১ জেলায় ৮৯৩টি ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র চালু রয়েছে। এগুলো বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাধ্যমে কাজ করছে এবং সেবার জন্য নির্ধারিত ফি পরিশোধ করা সম্ভব। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি ইউনিয়নে এরূপ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বেসরকারি সংস্থাগুলোর মাধ্যমে মানুষ নির্দিষ্ট মূল্যে এসব সেবার ব্যবহার করতে পারছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে মাথাপিছু জমির পরিমাণ কমে আসছে, যা বিটোর জন্য অর্থনৈতিক মূল্য বৃদ্ধি ও জটিলতা বাড়ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে আদালতে বিচারাধীন ৪৭ লাখের বেশি মামলা রয়েছে এবং অধিকাংশ তা জমিজমা সংক্রান্ত।
তিনি আরও বলেন, “সরকার অনলাইন সুবিধা নিশ্চিত করে জমিজমা সংক্রান্ত দুর্ভোগ কমবে। মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস পাবে। আদালতের বাইরে গ্রাম আদালত, নেগোসিয়েশন, মেডিয়েশন এবং আরবিট্রেশন এসব বিকল্প পদ্ধতির মাধ্যমে জনগণের শান্তি বজায় রাখা প্রয়োজন।”
অনুষ্ঠানের সময় প্রধানমন্ত্রী গুরুত্ব দেন যে নির্ভুল ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করা এবং সব সেবাকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য দুর্নীতিমুক্ত ও হয়রানিমুক্ত ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করা।” এ বিষয়ে তিনি আলবার্ট আইনস্টাইনের একটি উক্তি তুলে ধরেন, “শক্তি প্রয়োগে শান্তি বজায় রাখা যায় না; কেবল পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।”
সারা দেশের জেলা ও উপজেলায় শুরু হওয়া এ ভূমিমেলায় ই-নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান,