হামে মারা যাওয়া ৩৫২ শিশুর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে রিটের আদেশ আজ
হ ম ম র য ওয় ৩৫২ – হামে মারা যাওয়া শিশুদের পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ নিয়ে হাইকোর্ট আজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব জনস্বার্থে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ রিট বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং দেবাশীষ রায় চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দ্বারা প্রাপ্ত হয়েছে। প্রতি পরিবারকে ২ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ প্রকাশ করা হয়েছে, যা এ রিটের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মুখোমুখি করেছে। হামে মারা যাওয়া ক্ষেত্রে প্রতিদিন কমপক্ষে ছয়জন শিশুর মৃত্যু হচ্ছে এবং এটি গত এক সপ্তাহে দেড় হাজার ছাড়িয়ে এসেছে।
আদেশের প্রক্রিয়া এবং প্রতিবেদনের ভিত্তি
হাইকোর্টে শুনানি পূর্ণ হয়েছে সোমবার (১৮ মে) শুনানি দ্বারা, যেখানে সরকারি হিসাব অনুযায়ী হামে মারা যাওয়া কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রিট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং দেবাশীষ রায় চৌধুরী সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দ্বারা নির্ধারিত হামে মারা যাওয়া ক্ষেত্রে গত দুই মাসে মোট ৩৫২ জন শিশু মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়। বিচারকদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে নতুন প্রাপ্তির দিন সাপেক্ষে। এটি হামে মারা যাওয়া জনস্বার্থ আন্দোলনের প্রাসঙ্গিকতা বৃদ্ধি করেছে।
হামে মারা যাওয়া ক্ষেত্রে প্রতিবেদনটি নিয়ে আসা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ন কবির দ্বারা। প্রতিবেদনটি সরকারি ব্যবস্থার প্রতিবন্ধিতার কারণ নির্ধারণ করেছে এবং শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাপের বিষয়টি আলোচনা করেছে। হামে মারা যাওয়ার কারণ হিসাবে প্রতিবেদনটি স্বাস্থ্য সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রিট দায়ের করেছে এবং এ প্রতিবেদন হামে মারা যাওয়া ক্ষেত্রে নতুন তথ্য আবিষ্কার করেছে।
হামে মারা যাওয়ার প্রভাব এবং সরকারি প্রতিক্রিয়া
পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হামে মারা যাওয়া শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসার আশ্বাস দেওয়ার মধ্যেই দেড়গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। হামে মারা যাওয়া ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সাথে সম্পর্কিত প্রতিবেদনের প্রতি সরকারের প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ। এ রিটের আদেশ হাইকোর্ট আজ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা হামে মারা যাওয়া শিশুদের পরিবারগুলিকে আরও পরিষ্কার সুবিধা দেবার জন্য।
হামে মারা যাওয়া শিশুদের মৃত্যুর বিষয়টি সামাজিক আলোচনার সূত্রে হাইকোর্টে উঠে এসেছে। হামে মারা যাওয়া ক্ষেত্রে কমপক্ষে ছয়জন শিশু প্রতিদিন মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কমপক্ষে ১০ মে থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে। হামে মা�