জুলাই সনদ-গণভোটের বৈধতা নিয়ে রুল শুনানি ১৭ জুন
জ ল ই সনদ গণভ ট র – হাইকোর্ট জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের ফলাফলের বৈধতা নিয়ে রুলের শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন। সোমবার (১৮ মে) বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশিষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চটি এ বিষয়ে আদেশ জারি করেন। আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনি জাগো নিউজকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পূর্বে হাইকোর্ট জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। আদেশটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের চিঠি এবং গণভোট ফলাফলের প্রতি বৈধতা সম্পর্কে বিস্তারিত বিচারের জন্য বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চটি এ বিষয়ে রুল প্রণয়ন করেছে।
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরপর ৫ আগস্ট তারিখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। তখন গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু করে। ফলে গণভোট বিধান ব্যবহার করে জুলাই জাতীয় সনদ সই হয় ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর। সেই বছরের ১৩ নভেম্বর তারিখে জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবগুলো সম্পর্কে গণভোট করা হয়। সেই বিষয়ে ন্যায়পাল গণভোটের বিধান প্রণয়ন করেন ২০২৫ সালের ১৩ নভেম্বর। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী মো. রেদোয়ান-ই-খোদা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রিট করেন। তিনি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন।
সেই রিটটি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম একটি আরও রিট করেন ১৭ ফেব্রুয়ারি। এতে জুলাই জাতীয় সনদের আদেশ ও শপথের চিঠির বৈধতা নিয়ে বিবাদী হিসেবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব উল্লেখ করা হয়। রিটে বলা হয়, গণভোট প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও বিধি লঙ্ঘন ঘটেছে। ফলে ফলাফল যথাযথ ও বৈধ নয় �