ছাত্রদল ও শিবিরের পরস্পর দায়ীত্ব বিবৃতি: ডুয়েটে সংঘর্ষ ও আন্দোলনের সম্পর্ক
ড য ট স ঘর ষ র – গাজীপুর স্থিত ডুয়েটে সংঘর্ষের ঘটনার পর জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল এবং ইসলামী ছাত্রশিবির পরস্পরকে দায়ী করে বিবৃতি জারি করেছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম কর্তৃক প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, ডুয়েটে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল। তিনি সামগ্রিকভাবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু তার নিয়োগের দিন থেকেই ছাত্রশিবিরের কিছু নেতা ও কর্মী উপাচার্য নিয়োগ বাতিল করার চেষ্টা করছেন। তারা ডুয়েট ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার বায়না তুলে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের পরিচয় দিয়েছে।
প্রাক্তন প্রশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রদল অস্বচ্ছতা, দলবাজি এবং নৈতিক অপরাধের অভিযোগ তুলে ধরেছে। এখন নতুন প্রশাসন ও গুপ্ত সংগঠন ছাত্রশিবির একত্রে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। ছাত্রদল এবং যুবদল এতে সহযোগিতা করছে। তারা তিন দিন ধরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ কার্যক্রমকে বাধা দিয়ে আসছে।
“ডুয়েটের এই ঘটনা বিশেষ করে নিয়োগের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরোধিতা হামলার চেয়ে আরও পরিকল্পিত। ছাত্রদল এবং শিবিরের সম্পর্কে চলমান সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নতুন দখল দারিত্বের রাজনীতির প্রকাশ।”
রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও নাছির উদ্দীন নাছির এ ঘটনার বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন। তাদের দাবি, ডুয়েটে তিন দিন ধরে অধ্যাপকদের মধ্য থেকে দলীয় অনৈতিক নিয়োগ মুক্ত উপাচার্য নিয়োগের দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা। রোববার সকালে সংঘর্ষে পূর্ব ঘোষিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালু হওয়ার সময় ছাত্রশিবির ও মহানগর ছাত্রদল এবং বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দ্বারা হামলা চালানো হয়েছে। বিএনপিপন্থি শিক্ষক ও কর্মকর্তারা এতে অংশ গ্রহণ করেছেন। সংঘর্ষে কমপক্ষে ১৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
তাদের আরও দাবি, সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়া, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া এব�