News

বাড্ডায় ৩৬ লাখ টাকার ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেফতার

বাড্ডায় ৩৬ লাখ টাকার ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেফতার অপারেশনের প্রাথমিক বিবরণ এবং মুক্তিযোদ্ধার গুরুত্ব ব ড ড য় ৩৬ ল খ - বাড্ডায় ৩৬ লাখ টাকার বৈধ মাদকদ্রব্য সহ

Desk News
Published May 18, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাড্ডায় ৩৬ লাখ টাকার ইয়াবাসহ দম্পতি গ্রেফতার

অপারেশনের প্রাথমিক বিবরণ এবং মুক্তিযোদ্ধার গুরুত্ব

ব ড ড য় ৩৬ ল খ – বাড্ডায় ৩৬ লাখ টাকার বৈধ মাদকদ্রব্য সহ দম্পতি গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হিসেবে গণমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে। সাইন বাড্ডা থানার অধীনে এ অপারেশন পরিচালিত হয়েছে, যার মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) এক বৈধ প্রতিষ্ঠানে বাড্ডায় কয়েক মাস ধরে চালু করা হয়েছিল মাদক বিপণিতা বন্ধ করার লক্ষ্যে। অপারেশনে সামিল হওয়া পুলিশ কর্মকর্তারা স্থানীয় নাগরিকদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন যারা এ বিষয়ে সংগ্রহ করেছিলেন বিশেষ তথ্য। মো. জহিরুল ইসলাম এবং জান্নাত ফেরদৌস এনি হেফাজত থেকে বের করে আনা হয়েছে।

গ্রেফতার দম্পতি কয়েক মাস ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা এবং অন্যান্য মাদক সংগ্রহ, সঞ্চয় ও বিক্রয়ের চক্রে নিয়োজিত ছিলেন। রোববার (১৭ মে) দুপুরে জানানো হয়েছে যে, তাদের দ্বারা আবৃত করা হয়েছে নীল রংয়ের জিপ আবরণ সহ ৬০টি পলিপ্যাকেট ইয়াবা। গণমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রকাশ করা হয়েছে যে, এ বৈধ মাদক বাজারে প্রায় ৩৬ লাখ টাকার মূল্যে বিক্রয় করা হত। অপারেশনে আরও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে, যা সাংবাদিকতা এবং পাঠকদের মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।

ডিএনসি উপপরিচালক শামীম আহম্মেদ আরও জানান যে, মাদকের বিরুদ্ধে অধিদপ্তর এখনও কঠোর পদক্ষেপ নেয়। তিনি বলেন, “আমরা এ বিষয়ে স্থানীয় জনগণের সাথে সম্পর্ক রেখে অপারেশন চালাচ্ছি।” বাড্ডায় এ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে মাদক বিপণিতা নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় রাজধানীর বিশেষ করে বাড্ডা এলাকার মানুষ গুরুত্ব দিয়েছেন এ প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা ক্ষমতা বৃদ্ধির দিকে।

এ অপারেশন পরিচালনার সময় মাদক সংগ্রহ করা হয়েছে দুটি বিশেষ স্থানে। স্থানীয় এলাকার স্বাস্থ্য ও পুলিশ বিভাগের সহযোগিতার মাধ্যমে কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়েছে। বাড্ডায় ৩৬ লাখ টাকার মাদক নিয়ন্ত্রণে সাফল্য অর্জন করা হয়েছে এবং এটি মাদক বিপণিতা বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় বৈধ প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

অপারেশনে কৌশল অনুসারে দম্পতি হেফাজত থেকে বাহির করে আনা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে আয়ত্ত করা হয়েছে একটি বৈধ প্রতিষ্ঠানের স্থান। এ মামলায় পুলিশ কর্মকর্তারা অভিযুক্তদের মুক্তিযোদ্ধা করে গুরুতর পরিস্থিতি প্রতিরোধ করার জন্য কাজ করছেন। বাড্ডায় ক্রমাগত অপারেশন পরিচালনার মাধ্যমে মাদক কার্যকলাপ নির্বাহ করা হয়েছে এবং বৈধ বৃদ্ধি সাধন করা হয়েছে।

গ্রেফতার দম্পতি থেকে বাড্ডায় ৩৬ লাখ টাকার মূল্য বিশিষ্ট ইয়াবা আবিষ্কৃত হওয়ার কারণে এটি একটি অপারেশনে

Leave a Comment