ডা. নাসিরকে দেখতে ঢামেকে জেডআরএফ প্রতিনিধি দল
ড ন স রক দ খত ঢ – শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে হামলার শিকার হয়ে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ডা. নাসির আহমদের স্থিতি খোঁজ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যায় জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ) এর একটি প্রতিনিধি দল। দেখা হয় এই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার এবং তার সঙ্গে পরিচালক ডা. তারেক রহমান এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান এর নির্দেশনায় নেওয়া হয়।
রোববার (১৭ মে) বিকাল ৫ টায় প্রতিনিধি দলটি ডা. নাসিরের চিকিৎসার খোঁজ নেয় এবং তার পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎ করে। অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার জানান যে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো চিকিৎসকদের সুরক্ষা এবং চিকিৎসার নিশ্চয়তা নিয়ে কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, রোগী সুরক্ষা আইন এবং চিকিৎসক সুরক্ষা আইন প্রণয়নের কাজ চলছে এবং দ্রুত বাস্তবায়ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে চিকিৎসকদের প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। ডাক্তারও এই সমাজেরই একজন মানুষ—কারো ভাই, কারো বোন। কিন্তু মানুষ সেটা ভুলে যাচ্ছে। রোগী সুস্থ হলে বলা হয় আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছে, আর রোগী মারা গেলে সব দায় চিকিৎসকের ওপর চাপানো হয়।
তিনি আরও জানান যে চিকিৎসকদের কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রতিদিন প্রতিদিন চাহিদা পূরণের জন্য চারপাশে জনগণের মানসিকতা পরিবর্তন করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
১৫ মে বৃহস্পতিবার শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগী একজন হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক ডা. মো. নাসিরকে সন্ত্রাসীরা গুরুতর জখম করে। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী মো. মাহবুব আলম, অধ্যাপক ডা. আবুল কেনান, ডা. পারভেজ রেজা কাকন, অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম কাগজী, কৃষিবিদ শফিউল আলম দিদার, সাংবাদিক সাঈদ খান, প্রকৌশলী উমাশা উমায়ন মনি চৌধুরী, ডা. খালেকুজ্জামান দিপু, ডা. সৈয়দ ইমতিয়াজ উদ্দিন সাজিদ, ডা. আশফাক নবী কনক, ডা. আমিরুল ইসলাম পাভেল, ডা. জুবায়ের আবেদিন জিসান, ডা. সুমন, ডা. মেশকাত,