বন্ধ কারখানায় নয়, টিকে থাকা দুর্বল শিল্পে অর্থায়নের আহ্বান ব্যবসায়ীদের
বন ধ ক রখ ন য় নয় – এক মাসের মধ্যে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গ্যাস সংকট, গ্যাসের মূল্য ২৮৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি, উচ্চ সুদহার ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বিপদে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতা আনোয়ারুল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি বলেন, শিল্প শুধু ব্যক্তির সম্পদ নয়, এটি জাতীয় সম্পদ। সেজন্য উৎপাদন খাতকে স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারের কাছে বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন।
মঙ্গলবার (১২ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা একাধিক প্রস্তাব জানান। তাদের মতে, কার্যকর মূলধন সহায়তা এবং সুদহার কমানো কর্মসংস্থান রক্ষার কাজে সাহায্যকারী হবে। তিনি আরও বলেন, বিদেশি রিফাইন্যান্সিং সুবিধা বাড়ানো ও পেনাল ইন্টারেস্ট হ্রাস করা আরও প্রয়োজন।
যেসব এলসি সীমা অতিক্রম করেছে, সেগুলো ব্লক করে মূল সীমা সচল রাখলে ব্যবসা পরিচালনা সহজ হবে।
ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে কিছু নতুন পরিচিতি দেওয়া হয়েছে বলে জানান গভর্নর। তিনি উল্লেখ করেন, রপ্তানি খাতের ক্যাশ ইনসেনটিভের অর্থ এপ্রিল পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের বেতন সহায়তার প্রয়োজনীয়তা কমেছে।
ব্যবসায়ীদের মতে, কোভিড-পরবর্তী সময় থেকে শিল্পখাতে বৃদ্ধি পাওয়া সুদহারের কারণে অর্থনীতিতে ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে। কমপ্লায়েন্স প্রক্রিয়া সহজ করা, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল চালু করা ও স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা দেওয়া আরও প্রয়োজন।
সিআইবি রিপোর্টে ‘গ্রুপ কনসেপ্ট’ নিয়ে আপত্তি তোলেন ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগ, একই পরিচালকের আওতায় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে গ্রুপ হিসেবে গণনা করা হচ্ছে। ফলে একটি কোম্পানি সমস্যায় পড়লে অন্য ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোও নেতিবাচক রিপোর্টের কারণে ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়ে। তারা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে আলাদাভাবে মূল্যায়নের দাবি জানান।
বিআইসি সভাপতি জানান, উৎপাদন খাতকে সচল রাখতে বিদেশি তহবিল ও রিফাইন্যান্সিং সুবিধা বাড়ানো আরও প্রয়োজন। সরকার চাইলে ঋণের সুদহার কমিয়ে শিল্পখাতকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া সম্ভব।
অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান অর্থায়ন না করে যেসব দুর্বল কারখানা এখনো টিকে আছে সেগুলোকে সহায়