বিশ্বকাপ ফুটবল / তৃতীয় ইংল্যান্ড ফ্রান্সকে হারিয়ে শেষ বাঁশি জয় করে
ব শ বক প ফ টবল ১০ – বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত এক গোল উৎসবে পরিণত হয়। ইংল্যান্ডের শিষ্যরা ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছিলেন কিলিয়ান এমবাপের এবং ওসমান ডেম্বেলের সাহায্যে গড়া ৬-৪ ব্যবধানের জয়ের সাথে।
প্রথমার্ধে ইংল্যান্ড স্বাগতিক স্থান দখল করেছিল, কিন্তু বিরতির পর ফ্রান্স চারটি খেলোয়াড় প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে খেলার প্রাণ ফিরিয়েছিল। মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে এমবাপে অ্যাসিস্ট দিয়ে গোল করে মাইকেল অলিসের দুর্দান্ত পাসের পর স্কোর হয়েছিল ৪-২।
৬৬ মিনিটে অলিসের আরেকটি সাবলীল পাস ধরে বুকায়ো সাকা আবারও গোল করে কিলিয়ান এমবাপের পাশে থাকেন। স্কোরলাইন তখন ৪-৩। ফরাসি অধিনায়ক এই গোলে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড গড়েছিলেন যার মধ্য দিয়ে তার ২২তম গোল নথিভুক্ত হয়।
৮৫ মিনিটে মালো গুস্তো ডিজেড স্পেন্সকে বক্সে ফাউল করে পেনাল্টি অফার করেন। রেফারি বাজানো বাঁশির পর স্পট কিক থেকে ঠান্ডা মাথায় গোল করে সাকা হ্যাটট্রিক পূরণ করেন। ইংল্যান্ড আবারও ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে ডেম্বেলে বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল করে ব্যবধান কমে ৫-৪ হয়। ফ্রান্স সমতার আশায় শেষ আক্রমণ করার পর বেলিংহাম মাঠে নামিয়ে দেন প্রতিযোগিতার কূটনীতি। যোগ করা সময়ের অষ্টম মিনিটে তিনজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় গোল করে ইংল্যান্ড প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত অবতার করে।
স্কোর হয়ে ওঠে ৬-৪ এবং জয় নিশ্চিত হয়। ইংল্যান্ডের জন্য সাকা হ্যাটট্রিক করেন, ডেকলান রাইস, এজরি কনসা এবং বেলিংহাম প্রতিটি গোলে অংশ নেন। ফ্রান্সের হয়ে এমবাপ জোড়া গোল করেন, ব্র্যাডলি বারকোলা এবং ডেম্বেলে একটি করে গোল করেন।
রোমাঞ্চে ভরপূর এই ম্যাচটি বিশ্বকাপের সবচেয়ে স্মরণীয় লড়াইগুলোর একটি হিসেবে অবদান রেখেছে। ইংল্যান্ডের হয়ে বেলিংহাম এই আসরে ৭ গোল করে ইংরেজ খেলোয়াড়দের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েছেন।