মেসির বার্তা করে আর্জেন্টিনা সরকারের উপর আবারও আলোচনা শুরু
আর জ ন ট ন প র – বিশ্বকাপ ফাইনালে উঠার সুখের মাঝে লিওনেল মেসির অর্থনৈতিক অবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। টিওয়াইসি স্পোর্টসে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি জানান যে দেশের মানুষ কষ্টে আছেন এবং তাদের কাজ নেই বলে অনেকের ক্ষেত্রে বাস্তবতা স্পষ্ট।
‘আমরা মানুষকে এই আনন্দ দিতে পেরে গর্বিত ও আনন্দিত। আমরা জানি, বিশ্বকাপ আমাদের দেশের মানুষের কাছে বিশেষ কিছু। এই আনন্দের মাধ্যমে মানুষ কিছু সময়ের জন্য সব দুঃখ-কষ্ট ভুলে থাকতে পারে।’
রাজনৈতিক অঙ্গনে মেসির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিয়েছে হাভিয়ের মাইলেইর সরকার। তবে তারা মেসিকে আক্রমণ করেনি, বরং তার মন্তব্যের ভার সাবেক প্রেসিডেন্ট নেস্তর কির্চনার এবং ক্রিস্টিনা ফার্নান্দেস দে কির্চনার প্রশাসনের ওপর চাপ দিয়েছে।
মিলেই সরকার একটি বিবৃতি প্রকাশ করে জানায়, লিওনেল মেসি বলেছেন যে দেশে কষ্টে আছে মানুষ। এটি সম্পূর্ণ সত্য। কিন্তু সরকার দাবি করে যে এই পরিস্থিতির জন্য দীর্ঘদিনের কির্চনার শাসনই দায়ী। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘কির্চনারপন্থী দুই দশকের অবনতির প্রভাব দুই বছরে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।’
সরকার আরও জানায় যে গত দুই বছরে ব্যাপক অর্থনৈতিক পরিবর্তন ঘটেছে এবং দেশের অবস্থা আগের তুলনায় ভালো হয়েছে। তবে দুই বছর আগে দারিদ্র্যের হার ছিল ৬০ শতাংশ, চরম দারিদ্র্যের হার ছিল ২০ শতাংশ, বার্ষিক মূল্যস্ফীতি পৌঁছেছিল ১৫ হাজার শতাংশে। মজুরি ছিল অত্যন্ত কম এবং মুদ্রার মূল্য প্রতিদিন কমছিল। এখন অবস্থা অনেক ভালো হলেও সামনে দীর্ঘ পথ আছে।
মেসির মন্তব্য এবং সরকারের প্রতিক্রিয়ার পর দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। মেসি কোনো রাজনৈতিক অবস্থান নেননি, কিন্তু সাধারণ মানুষের কষ্ট উল্লেখ করে তার বক্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক জন্ম দিয়েছে।