Campus

‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা / জবির অধ্যাপক আইনুল ইসলামকে ক্যাম্পাস-ছাড়া করলেন শিক্ষার্থীরা

ডিন অধ্যাপক আইনুল ইসলাম ক্যাম্পাস ছেড়ে গেলেন ফ্যাসিবাদের দোসর নামে পরিচিত নিয়োগ প্রত্যাহারের ঘটনা ফ য স ব দ র দ - জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান

Desk Campus
Published July 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ডিন অধ্যাপক আইনুল ইসলাম ক্যাম্পাস ছেড়ে গেলেন

ফ্যাসিবাদের দোসর নামে পরিচিত নিয়োগ প্রত্যাহারের ঘটনা

ফ য স ব দ র দ – জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম ফ্যাসিবাদের দোসর নামে পরিচিত হয়েছিলেন। তাঁর নিয়োগ প্রত্যাহারের কারণে শিক্ষার্থীদের বিতর্ক উত্থাপন করা হয়। গণ অভ্যুত্থানের সময় তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল এবং ছাত্রদের চাপে তিনি তার অর্থনীতি বিভাগের অফিস থেকে বের হন।

বৃহস্পতিবার তাঁর বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছে উৎসাহ পূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি। অবস্থান কর্মসূচি এবং বিক্ষোভের মুখে ডিন অফিস ত্যাগ করেন তিনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টরিয়াল বডির সদস্য, ছাত্রদল, ছাত্রশক্তি এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি ফ্যাসিবাদের দোসর নামে চিহ্নিত হয়েছিলেন। ছাত্রদের প্রতিবাদে তাঁর ডিন অফিস থেকে বের হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক হয়েছিল।

জুলাই শহীদ দিবস হিসেবে ঘটনার মূল্যায়ন করেছেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। তিনি জানান যে তথ্য প্রমাণে ফ্যাসিবাদের দোসর নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন হিসেবে তাঁর নিয়োগ প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিছু অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যাদের অনেকগুলো পুরোনো হলেও তার কারণে প্রতিবাদের মুখে তিনি পদ ত্যাগ করেন।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া ছাত্র বলেন, ফ্যাসিবাদের দোসর নামে তাঁর চিহ্নিত হওয়া ছাত্রদের মনে করে যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকার হারিয়েছেন। তাঁর নিয়োগ বাতিলের আহ্বান জানানো হয় তার বিরুদ্ধে।

ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা পেয়ে অধ্যাপক আইনুল ইসলাম প্রশাসনিক পদ থেকে বিচ্ছিন্ন হন। তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখার জন্য প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়। তবে কিছু প্রমাণে ডিনের অপসারণ ঘটেছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তাঁর পক্ষে প্রমাণ সংগ্রহ করেছিল ছাত্ররা। তাঁর বিরুদ্ধে আন্দোলনে ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা কেন দেওয়া হয়েছিল তা তদন্তের জন্য আহ্বান জানানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এ ঘটনার মূল কারণে বিবেচনা করেছে যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছেন।

Leave a Comment