সেনা অভিযানে ইউপিডিএফের ৩ সদস্য আটক, অস্ত্র উদ্ধার
স ন অভ য ন ইউপ ড – সেনা অভিযানে ইউপিডিএফ দলের তিনজন সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছেন, যাদের মধ্যে পোস্ট কালেক্টর রনেল চাকমা (২৮) এবং সার্চিং মারমা ওরফে রাজু (২২) রয়েছেন। বুদংছড়া এলাকায় সন্ত্রাসীদের মোটরসাইকেলে আসার পর সেনাবাহিনী তাদের থামাতে চ্যালেঞ্জ করে। অভিযানের সময় সন্ত্রাসীদের আকস্মিক গুলি চালানো হয়, যার ফলে ইউপিডিএফ দলের একজন সাথোয়াই মারমা আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে রনেল চাকমা এবং রাজুকে আটক করা হয়, কিন্তু অভিযানের সংঘটন পরে ইউপিডিএফ দলের মূল সদস্যদের নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়। সেনাবাহিনী অভিযানের পর নিশ্চিত করেছেন যে ইউপিডিএফ দলের সদস্যরা সক্রিয় স্থানে ফিরেছেন এবং স্থানীয় কমিটির সাথে সমন্বয়ে সক্রিয় প্রতিবাদ কমিয়ে আনার প্রচেষ্টা চালু করা হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয় আশপাশে কিছু সন্ত্রাসী প্রতিরোধ করেছেন, কিন্তু অবশেষে সেনাবাহিনী তাদের সক্রিয় বাহিনীকে দুর্গম স্থানে ছিনিয়ে নিয়ে গেলে একটি বিস্তারিত অভিযান শুরু হয়। তাদের সদস্যরা ইউপিডিএফ দলের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা পান এবং স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। অভিযানের পর পুনরায় বিস্তারিত বিবরণ জানানো হয়েছে যে ইউপিডিএফ দলের সদস্যরা সক্রিয় স্থানে ফিরেছেন এবং সমাপ্ত অভিযানের পর আরও দুটি সদস্য আটক করা হয়। সেনাবাহিনী এই অভিযানের মধ্য দিয়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য ক্রমাগত সক্রিয় প্রচেষ্টা চালু করছেন।
অস্ত্র উদ্ধার ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া
পার্বত্য অঞ্চলে সেনা অভিযানের সময় বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে দুটি মোটরসাইকেল, একটি ইউপিডিএফ দলের সদস্য কিছু অস্ত্র নিয়ে সামনে আসার পর সেনাবাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার করা হয়েছে রাইফেল এবং ম্যাগাজিন সহ অন্যান্য সরঞ্জাম এবং গুলি সংক্রান্ত আয়ুধ। সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় মানুষ সহ সম্পূর্ণ আয়ুধ উদ্ধার করেন এবং সন্ত্রাসীদের নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থানীয় শিবিরগুলি পরিদর্শন করেন। এই অভিযান পরিচালনার সময় সেনা বাহিনী প্রতিবেশী সামাজিক প্রতিক্রিয়া পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, কিন্তু সরকার দ্বারা প্রতিরোধ কমিয়ে আনার জন্য স্থানীয় কমিটির সহযোগিতা গ্রহণ করা হয়। সেনা অভিযানের মধ্যে ইউপিডিএফ দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করার পর তাদের সমাপ্ত নির্দেশ দেওয়া হয়।
স্থানীয় কমিটির ভূমিকা ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া
সেনা অভিযানের পর স্থানীয় কমিটি বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে সংগৃহীত সদস্যদের মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাব জানানো হয়। এছাড়াও সামাজিক প্রতিক্রিয়া পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু এই অভিযান পরিচালনা করে শান্তি বজায