নেত্রকোনায় রোগীর মৃত্যুর প্রতিবাদে হাসপাতালে ভাঙচুর
ন ত রক ন য র গ – নেত্রকোনার সদর হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুর ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে হাসপাতালে ভাঙচুর ঘটায়। বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটে এবং হাসপাতালের বিভিন্ন অংশ ভেঙে ফেলা হয়। এ ঘটনার পিছনে কী কারণ ছিল সে বিষয়ে আরও প্রকাশ্যে তথ্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
রোগীর গুরুতর অবস্থার প্রতিক্রিয়া
মৃত রোগী সজীব মিয়া ছিলেন নেত্রকোনার মালনী আমগাছতলা এলাকার শুকুর আলীর ছেলে। তিনি রাতে গ্যাসজনিত ব্যথার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু তার অবস্থা আরও খারাপ হওয়ার পর চিকিৎসকদের অবহেলা অভিযোগ উঠে। রোগী এবং তার স্ত্রী মারা যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন হাসপাতালে প্রবেশ করে আরও ক্ষোভ প্রকাশ করে।
হাসপাতাল এবং চিকিৎসার গোড়াপত্তন
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, সন্ধ্যায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলেও বিদ্যুৎ না থাকার কারণে চিকিৎসক যথাযথ চিকিৎসা দিতে অবহেলা করেন। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন হাসপাতালে প্রবেশ করেন। সেই সাথে নেত্রকোনার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি গুরুতর অবস্থার কারণে আপত্তি জানান।
বিষয়টি নিয়ে আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মাজহারুল আমিন বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে বিদ্যুৎ ছিল না। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতা বিষয়ে তিনি জানান, হাসপাতালে জেনারেটর দিয়ে কার্যক্রম চলছিল। হার্ট অ্যাটাক নিয়ে এক রোগী আসলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। কিন্তু তার অবস্থা আরও গুরুতর হওয়ার পর ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। রোগীর সঙ্গে দুই নারী ছিলেন। তারা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহে নিয়ে যাওয়ার আগেই তিনি মারা যান।
ভাঙচুর ঘটার আগে রোগী এবং তার স্ত্রী হাসপাতালের গৃহিণী হাসিনা কাজী এবং নানা সাবেক বলেন, সন্ধ্যায় তারা হাসপাতালে প্রবেশ করে। গ্যাসজনিত ব্যথার কারণে তার মৃত্যু ঘটে যাওয়ার পর তাদের চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে সংকট ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে চিকিৎসা কার্যক্রম বিক্ষোভের সামনে আটকে পড়ে।
নেত্রকোনার জনগণের চাওয়া
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় সব কিছু ক্রমে স্থাপন করে। হাসপাতালে ভাঙচুর ঘটার পর নেত্রকোনার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রতিক্রিয়া গুরুতর হয়। তারা ঘটনার পিছনে তদন্ন চালানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বিশ্বাস করেন যে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে রোগী সময়ের মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন। হাসপাতাল প