প্রধানমন্ত্রীর সবিনয় উচ্চারণ সংস্কৃতির বিপ্লব
ম নন য় সম ভ ষণ স – ‘মাননীয়’ শব্দটি একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক প্রতীক। রাজনৈতিক ক্ষমতার সম্বন্ধে এটি বহুল প্রচলিত হয়েছে দেশের ইতিহাসে। অতীতে এই শব্দ দ্বারা ক্ষমতাধারীদের অপরিসীম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে ক্ষমতার দখলে দেশে বিশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে সংকটে পতিত হয়েছিল।
তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে এই শব্দটি ব্যবহার থেকে মুক্তি ঘটানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে একটি আলোচনায় শিক্ষার্থীদের সাথে তিনি সাক্ষাত করেন। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করেন, “মাননীয় বলার আবশ্যকতা কেন রয়েছে?” উত্তরে তিনি বলেন, “দয়া করে আমার নামের আগে মাননীয় সম্ভাষণ করবেন না।”
সম্বোধন সংস্কৃতির সমাপ্তি
সম্ভাষণ সংস্কৃতির নৈতিক সম্পর্ক বেশি মূল্যবান হয়েছে। প্রাচীন সময়ে এই শব্দ ব্যবহার করে কর্তৃত্ববাদী মানসিকতার ভিত্তি গঠিত হয়েছিল। আজ তারেক রহমান এই সংস্কৃতির বিপ্লব ঘটানোর প্রয়াস চলছে। তাঁর এই চিন্তা প্রকাশ করেছে যে রাজনৈতিক নৈতিকতা হতে পারে একটি মৌলিক পরিবর্তনের সূত্র।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও তিনি সংস্কৃতির মাধ্যমে কোন রাজনৈতিক চাপ থেকে মুক্তি ঘটানোর চেষ্টা করেছিলেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি সমর্থক সাংবাদিক তাঁর প্রতিক্রিয়া নিয়ে সংবাদ সমাপ্ত করেছেন তারেক রহমান। তার এই বিনয় বিশ্বাসের স্থান ছাড়িয়ে দিয়েছে ক্ষমতার প্রতিকূল অভিব্যক্তি।
স্বাধীন পরিবেশের কল্পনা
“দেশে স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে তাঁর সাক্ষাৎকারে এই বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি মানবিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চেষ্টা করেছেন সরাসরি নিরপেক্ষ আচরণের মাধ্যমে। এই ভাষার সংযত ব্যবহার দ্বারা সামাজিক পরিমণ্ডলে সহনশীলতার বিপ্লব ঘটানোর আশা করছেন তিনি।
প্রাচীন রীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বীকে শত্রু হিসেবে দেখা হয়েছিল। তবে তারেক রহমান বিপ্লবী চিন্তার পরিচয় দিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বীকে একটি প্রতিনিধিত্ব হিসেবে। র