ফিফা সভাপতি ইনফ্যান্তিনো রাজনৈতিক ক্ষমতা কমে গেছে
ফ ফ সভ পত র পদ হ – ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো এখন আগের তুলনায় বেশি দুর্বল হয়ে পড়েছেন। বিশ্বকাপের কিছু সিদ্ধান্তের কারণে তিনি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সে সিদ্ধান্তে অনুপ্রেরণা দেয়া হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুনকে লাল কার্ড দেখানো হলেও তার এক ম্যাচের স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার কথা।
দ্য টাইমস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিফার কিছু সদস্য দেশ ইনফ্যান্তিনোর প্রতি সমর্থন পুনর্বিবেচনার পরিচ্ছন্ন করছে। তাদের অভিযোগ, এই সিদ্ধান্ত বিশ্বকাপের ন্যায্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে ধ্বংসের পথ দেখায়।
তীব্র আলোচনা ঘটেছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে ইনফ্যান্তিনোর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বালোগুনের ঘটনার কথা। এরপর ফিফা লাল কার্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্তে অপরিচিত ধারণা তৈরি হয়েছে।
ফিফা যেভাবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছে, তা হাস্যকর। ইনফ্যান্তিনো এখন গভীরভাবে বিচ্ছিন্ন। তিনি এমন এক সভাপতি হয়ে উঠছেন, যিনি প্রকৃত ক্ষমতা হারিয়েছেন।
বিশ্বকাপ শেষ হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত রাখার পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক চলছে। ফিফার এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান যে, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের চেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ কল্পনা করা কঠিন।
যদিও আগামী বছরের সভাপতি নির্বাচনে ইনফ্যান্তিনোর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের সম্ভাবনা হারিয়েছে। সংস্থার ভেতরে তার প্রভাব অনেকটাই কমে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইনফ্যান্তিনোর দীর্ঘমেয়াদি কয়েকটি পরিকল্পনাও ধ্বংসের সম্মুখীন হয়েছে। ক্লাব বিশ্বকাপ সম্প্রসারণের উদ্যোগ ব্যাপক বিরোধিতার মুখে পড়েছে। পাশাপাশি ২০৩১ সালে পর্যন্ত সভাপতি হিসেবে থাকার জন্য ফিফার গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গেছে।
এদিকে বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের সিদ্ধান্তটি কার কাছে অনুমোদন পেয়েছিল, তা নিয়ে ফিফা এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে না।