News

মাগুরার হাটে নজর কাড়বে ৩০ মণের ‘লালু’

মাগুরার হাটে নজর কাড়বে ৩০ মণের ‘লালু’ ম গ র র হ ট নজর - ঈদুল আজহা প্রসঙ্গে মাগুরা সদর উপজেলার বগিয়া ইউনিয়নের বাগবাড়িয়া গ্রামে বিশাল আকৃতির একটি ষাঁড়

Desk News
Published May 17, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

মাগুরার হাটে নজর কাড়বে ৩০ মণের ‘লালু’

ম গ র র হ ট নজর – ঈদুল আজহা প্রসঙ্গে মাগুরা সদর উপজেলার বগিয়া ইউনিয়নের বাগবাড়িয়া গ্রামে বিশাল আকৃতির একটি ষাঁড় সম্প্রতি সামাজিক চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এই পশুটি প্রায় ৩০ মণ ওজনে তৈরি হয়েছে এবং তার নাম হচ্ছে ‘লালু’। এই গরুটি খামারি আশিক বিশ্বাসের বাড়িতে বিশেষ আকর্ষণ নিয়ে আসছে স্থানীয় মানুষদের।

শনিবার (১৬ মে) সকালে বাগবাড়িয়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেল খামারের পাশের একটি টিনশেডে গোয়ালঘরে তিনটি বড় ষাঁড় রয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হচ্ছে ‘লালু’ নামে পরিচিত বিশাল আকৃতির পাকিস্তানি সাহিওয়াল ও ফ্রিজিয়ান সংকর জাতের পশুটি।

“লালু নামটি সাধারণ আগ্রহ থেকে প্রাপ্ত হয়েছে। এটি প্রায় তিন বছর ধরে সন্তানের মতো করে লালন-পালন করছি। লেখাপড়ার সাথে সাথে আমার স্বপ্ন ছিল একটি গরুর খামার গড়ে তোলার। ধীরে ধীরে সঞ্চয় করে বর্তমানে তিনটি গরু পালন করছি। লালুর ওজন ৩০ মণ হবে বলে আমি বিশ্বাস করছি।”

খামারের মালিক ছালেক বিশ্বাস জানান, ছোট পরিসরে পারিবারিকভাবে গবাদিপশু পালন শুরু করলেও ভবিষ্যতে বড় খামার গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। তিনি আরও বলেন, গরুগুলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়ানো হয়। কাঁচা ঘাস, খড়, ভুসি ও দেশীয় দানাদার খাবারই এদের প্রধান খাদ্য। ক্ষতিকর ফিড বা কৃত্রিম মোটাতাজাকরণ ওষুধ ব্যবহার করা হয়নি।

আশিক বিশ্বাসের বড় ভাই রিয়াজ বিশ্বাস জানান, তাদের নিজেদের দ্বারা খাটুনি দিয়ে গরুগুলোর দেখাশোনা করা হচ্ছে। লালুকে নিয়ে মানুষদের আগ্রহ বেশি। বাজারে পরিস্থিতি ভালো থাকলে এবং বাইরে থেকে অতিরিক্ত গরু আসে না তাহলে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করা সম্ভব বলে তিনি আশা করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এত বড় আকৃতির গরু এই এলাকায় সচরাচর দেখা যায় না। তাই ঈদ পরবর্তী দিনগুলোতে লালু এখন এলাকাবাসীদের আলোচনার মূল বিষয় হয়ে উঠেছে। গরুটি প্রায় ১৪ দশমিক ৫ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ৬ ফুট উচ্চতার মাপে পরিচিত। অপর দুটি গরুর �

Leave a Comment