এই সেঞ্চুরি লিটনের কাছে যে কারণে ‘আলাদা’
এই স ঞ চ র ল টন – শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে লিটন দাস এমন একটি ইনিংস খেলেন যেটি বাংলাদেশ দলে খুব কম ব্যাটার ধারাবাহিকভাবে করেছেন। তিনি পাকিস্তান বোলারদের সামলে দলকে উপভোগ করতে সাহায্য করেন ১২৬ রানের একটি দুর্দান্ত প্রতিযোগিতা প্রদর্শন করেন। সেই ইনিংসে বাংলাদেশ মোট ২৭৮ রান করেন যেখানে ৬ উইকেট হারানো হয়।
সাথী ব্যাটারের অভাব বোধ করেন লিটন
সেঞ্চুরি প্রতিযোগিতার মূল কারণ ছিল তার আলাদা ভূমিকা। সাধারণত টপ অর্ডারে ব্যাটার সাথে খেলতে সক্ষম হওয়ার পর তিনি উইকেটে আসেন ৬০-৭০ ওভার পর। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল যেকোনো পরিস্থিতিতে খেলা উপভোগ করা। তিনি বলেন, ‘কঠিন ছিল তবে উপভোগ করার মতো অনেক কিছু ছিল।’
‘আমার ভূমিকা আলাদা ছিল। কখনো টপ অর্ডারে রান করে ফেলে, আমি তখন ৬০-৭০ ওভারের পর উইকেটে আসি যখন বল ঘুরতে শুরু করে। আমার কাজ হলো যেকোনো পরিস্থিতি উপভোগ করা। কঠিন ছিল, তবে উপভোগ করার মতো অনেক কিছু ছিল।’
পূর্বের বড় ইনিংসগুলোতে তাঁর সাথে স্বীকৃত ব্যাটার ছিল। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মুশফিকুর রহিম, রাওয়ালপিন্ডিতে মেহেদী হাসান মিরাজ ছিলেন। কিন্তু এবার শুরু থেকে টেল-এন্ডার তাইজুল ইসলাম তাকে সাথে দেখানো হয়। তিনি আরও বলেন, ‘গত দুই ইনিংসে বাউন্সারে আউট হয়েছি, আজকেও তাই। আমি মনে করি ওরা এটা মাথায় রেখেছিল। কিন্তু আমি আসলে বাউন্সার উপভোগ করেছি।’
ম্যাচের সময় লিটন ছিলেন ড্রেসিংরুমে বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে। তিনি বলেন, ‘আমি ড্রেসিংরুমে জিজ্ঞেস করেছিলাম অ্যাটাকিং খেলব কি না। ওখান থেকে বলা হয়েছিল রান করার জন্য খেলতে। আমি সেটাই করেছি।’
নব্বইয়ের দিকে এসে অবশ্য তিনি চাপ অনুভব করেছিলেন। সে সময় শরিফুলের প্যাডে বল বারবার লাগছিল। তিনি বলেন, ‘আমি ওকে বারবার সামনে খেলতে বলেছিলাম। ও লম্বা, ওই লেন্থে বল সবসময় ঝুঁকি তৈরি করে। কিন্তু সে খুব ভালো সাপোর্ট দিয়েছে।’
আউট হওয়ার বলটি ছিল শর্ট এবং ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন তিনি। পাকিস্তান আগের দুই ইনিংসে একই ভাবে তাকে শর্ট বল দিয়ে টার্গেট করেছে বলে মনে করেন লিটন। তিনি বলেন, ‘গত দুই ইনিংসে বাউন্সারে আউট হয়েছি, আজকেও তাই। আমি মনে করি ওরা এটা মাথায় রেখেছিল। কিন্তু আমি আসলে বাউন্সার উপভোগ করেছি।’
ম্যাচের অবস্থান নিয়ে লিটনের ভাবনা ছিল দুটি ইনিংসের মধ্যে পাকিস্তানকে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে যেতে না দেওয়া। তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব লিড না দিতে।