Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মেসিকে বিয়ে করতে চাওয়া ১০০ বছরের বৃদ্ধা ‘গ্র্যানি স্মিথ’ আসলে কে?

Published June 24, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

মেসির জন্য ক্ষণিক ক্রীড়া সমাপন করেছেন গ্র্যানি স্মিথ

Bangladailypost.com – ম স ক ব য় করত চ - লিওনেল মেসি অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন পৃষ্ঠা খুলেছেন। ম্যাচের চূড়ান্ত পর্বে মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক বৃদ্ধা যার চোখে পড়ে মেসি একটি গোল করেছেন। তিনি জার্সি গায়ে বসে ছিলেন এবং হাতে একটি প্ল্যাকার্ড ধারণ করেছিলেন, যেখানে লেখা ছিল: 'আমি মেসির ভক্ত।'

সে মুহূর্তটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক দর্শক প্রশ্ন করেন—'এই বৃদ্ধা কে হলেন?' তার নাম পলিন কানা। যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে তিনি কনটেন্ট নির্মাণে বেশি পরিচিত হন 'গ্র্যানি স্মিথ' নামে। তার নাতি রস স্মিথের সঙ্গে তৈরি করা হাস্যরসাত্মক ভিডিও, স্টান্ট এবং ভাইরাল স্কেচ দ্বারা তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।

ভালোবাসার ক্ষণ বিশ্বকাপের মাঠে

পূর্বে মেসিকে উদ্দেশ্য করে তিনি নানা বার্তা প্ল্যাকার্ডে লেখেন। পোর্টোর বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের একটি ম্যাচে হাজির হন তিনি। তখন মেসিকে কোনো ক্ষেত্রে বিয়ে করতে চাইবে কিনা তা জানানো হয় তার প্ল্যাকার্ডে। পরবর্তী ম্যাচে লেখা ছিল: 'বয়স শুধু একটি সংখ্যা।'

‘মেসি, তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে?’

ওয়ার্ম-আপের সময় মেসি তার দিকে তাকালে তিনি হাসিমুখে হাত নাড়েন। সেই মুহূর্ত ভাইরাল হয়ে যায় এবং নতুন একটি গল্প গড়ে তোলে। মেসি দুটি গোল করে ইতিহাসে নতুন স্বীকৃতি অর্জন করলেও তার ভক্ত তাকে বিশ্বকাপের মাঠে নিয়ে আসে আরেকটি আবেগ করে।

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক রেকর্ড তৈরি করেছেন গ্র্যানি স্মিথ

গ্র্যানি স্মিথ এখন একটি নতুন অধ্যায়ে যুক্ত হয়েছেন—বিশ্বকাপের গ্যালারিতে মেসির প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ। তিনি ৯৯ বছর ২৭৪ দিন বয়সে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে প্রবেশ করেছেন ক্রাউড সার্ফিং করে। টেক্সাসের বেলভিলে কন্ট্রি গায়ক ব্র্যান্টলি গিলবার্টের কনসার্টে এই কীর্তি তৈরি করেছেন তার নাতি রস স্মিথ।

পূর্বে তার জনপ্রিয়তার গল্প সাধারণ ইনফ্লুয়েনসারের মতো নয়। নাতি রস স্মিথের সঙ্গে তৈরি করা ভিডিও দ্বারা তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন যেখানে ধ্বনিত হয়েছে স্লোগান 'গ্র্যানি, গ্র্যানি'।