নাটকীয় কামব্যাক, সমতায় ফিরলো বেলজিয়াম, খেলা অতিরিক্ত সময়ে
ন টক য় ক মব য ক – বেলজিয়ামের প্রথমার্ধে বেলজিয়ান দলটি কিছুটা দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিজেদের মাঠে বসে রাখতে পারেনি। বাঁ দিক থেকে জ্যাকবসের ক্রস থেকে হাবিব দিয়ারা সামনে গিয়ে স্পষ্ট ভাবে গোল করেন এবং সেনেগালের প্রথম অর্ধেক খেলার শেষ পর্যন্ত তাদের জয়ের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেন।
প্রথম অর্ধেকের শেষ মুহূর্তে বেলজিয়াম আক্রমণে ওঠে। ইসমাইলা সারের একটি গোলে বারবার চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করেন তারা, কিন্তু সারের প্রথম হেড বল দাঁড়ায় পোস্টে। কোর্তোয়া একটি সহজ স্পর্শে গোল করেন এবং সেনেগাল ব্যবধান দ্বিগুণ করে দেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী খেলা শুরুর আগে বেলজিয়ামের জয়ের সম্ভাবনা ছিল ২৩.৪ শতাংশ। প্রথমার্ধ শেষে সেটি বাড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৪.৩ শতাংশে। দ্বিতীয় অর্ধেকের শুরুতে সেনেগাল দুইবার পোস্টে আঘাত দেওয়ার সুযোগ পায়, কিন্তু বেলজিয়ামের রক্ষণ বারবার সুযোগ নষ্ট করে।
৮৬তম মিনিটে রোমেলু লুকাকু গোল করে সেনেগালকে পিছনে ফেলে। পরে ইওরি তিয়েলম্যানের গোলে বেলজিয়াম অবিশ্বাস্যভাবে ২-২ সমতা পুনরায় ফিরে আসে। খেলা অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে বিস্তৃত হয়, কিন্তু সেনেগাল ম্যাচে স্থান নিশ্চিত করে না তাদের ব্যবধান।
২৯তম মিনিটে বেলজিয়াম প্রতিক্রিয়া দেখায় না। ইউরি টিলেমান্স হাবিব দিয়ারাকে ফাউল করেন, যেখানে অনেকের মতে সে সময় হলুদ কার্ড দেখলেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না।
প্রথমার্ধে সেনেগালের গোল প্রত্যাশা ১.৮২, যেখানে বেলজিয়ামের ছিল কেবল ০.০৯। বলের দখলে তারা ছিল ৬৫ শতাংশ।
৩৭তম মিনিটে বেলজিয়ামের কর্নার থেকে ম্যাক্সিম ডি কুইপারের বাঁকানো শট কর্নারে ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক। যোগ করা সময়ে দুই দলের ব্যবধান আটকে রাখেন তারা।
৯ মিনিটে বেলজিয়ামের প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ আসে। চার্লস ডি কেটেলারের পাস থেকে লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড নিচু শট নিলেও সেনেগালের গোলরক্ষক সেটি রুখে দেন।
বেলজিয়াম ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না সেনেগাল তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ধরে রেখে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করে। সাদিও মান ও ইদ্রিসা গুইয়ের সমন্বিত আক্রমণে বেলজিয়াম বিপক্ষে চাপে পড়ে।