AMP
Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মিজানুর রহমান আজহারী / সিজদার ভাব ও মর্ম

Published July 3, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Jones - bangladailypost.com

Foto : John Jones - bangladailypost.com

মিজানুর রহমান আজহারী / সিজদার ভাব ও মর্ম

Bangladailypost.com – ম জ ন র রহম ন আজহ - মিজানুর রহমান আজহারী কর্তৃক তুলে ধরা হয়েছে নবী মুহাম্মাদ (সা.) নামাজের সিজদার সময় তাসবিহ পাঠের অর্থ ও তাৎপর্য। তিনি ঘোষণা করতেন, “সুবহানা রাব্বিয়াল আ’লা” বলে নিজের অনুগ্রহ প্রতি প্রতিক্রিয়া জানানো হতো। এই তাসবিহের মাধ্যমে মানুষের অহংকার ও দম্ভ শুকিয়ে যায় এবং তার জন্ম নিয়ে নিজেকে স্বীকৃতি জানানো হয় যিনি আল্লাহর সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থিত।

তাসবিহের অর্থ ও তাৎপর্য

আরবি ভাষায় “আল-আ’লা” শব্দটি সর্বোচ্চ বা সর্বাধিক পবিত্রতা বহন করে। এটি আল্লাহর মহিমা ও কৃপার প্রতি প্রকাশ করে। মিজানুর রহমান আজহারী ব্যাখ্যা করেন যে, সিজদার মাধ্যমে তাসবিহ পাঠের মাধ্যমে মানুষ নিজেকে পবিত্রতার দিকে পরিচয় দেয় যিনি আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদার অবস্থান করেন। তাসবিহের বাক্য হলো—“সুবহানা রাব্বিয়াল আলা” যা সর্বোচ্চ মহান প্রতিপালকের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মরণ করার জন্য প্রসিদ্ধ।

এই তাসবিহ মিজানুর রহমান আজহারী দ্বারা ব্যাখ্যার সময় আল্লাহর দরবারে বিশ্বাসের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এর মাধ্যমে মানুষ নিজের চেয়ে আরও তুচ্ছ বিশ্বাস ও অপরাধ মেনে চলেন। আল্লাহ তাআলার সর্বোচ্চ স্থানে বিশ্বাস জানানো হয় যার প্রতি নামাজের সিজদার সময় শ্রদ্ধা প্রকাশ করা হয়। এই মুহূর্তে মানুষ দেহের সবচেয়ে মর্যাদার অঙ্গ কপাল ও নাককে মাটিতে মিশিয়ে দেয়।

সিজদার সময় মানুষের মানসিক পরিবর্তন

নামাজের আরম্ভ হয় “আল্লাহু আকবার” বলে আল্লাহর মহত্ব ঘোষণার মাধ্যমে। পরবর্তী পর্যায়ে রুকুতে মাথা নিচু করা হয়, যার পর সিজদার সময় মানুষ নিজেকে মাটির সাথে সম্পূর্ণ মিশিয়ে দেয়। মিজানুর রহমান আজহারী ব্যাখ্যা করেন যে, এই অবস্থায় মানুষের আত্মতুষ্টি ও বিশ্বাস সম্পূর্ণ নিচু হয়ে যায়। তাসবিহের মাধ্যমে তারা নিজের প্রতি আল্লাহর সর্বোচ্চ স্থান স্বীকৃতি করেন।

তাসবিহের বাক্য হলো—“সুবহানা রাব্বিয়াল আলা”। এর অর্থ হলো হে প্রতিপালক! আমি নিজেকে এর চেয়ে আরও তুচ্ছ করার উপায় জানি না। মিজানুর রহমান আজহারী বলেন যে, এই বাক্য আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস জানায় যিনি সবচেয়ে মর্যাদার প্রতিপালক। এই তাসবিহ সাধারণত সিজদার সময় পাঠ করা হয় যার মাধ্যমে মানুষ আত্মত্যাগ ও আল্লাহর উপর ভার দেয়।

সিজদার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর দরবারে নিজের বিনয় ও দাসত