Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মালয়েশিয়া: ঋণের চাপে দিশাহারা ১২৬ বাংলাদেশি শ্রমিক

Published August 13, 2026 · Updated August 13, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

মালয়েশিয়ায় বেতন বকেয়ায় সংকটে ১২৬ বাংলাদেশি শ্রমিক

Bangladailypost.com – ম লয় শ য় - মালয়েশিয়ার পাহাংয়ের মেনটাক্যাব এলাকায় অবস্থিত প্লাইউড প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মেনটাক্যাব ভিনিয়ার অ্যান্ড প্লাইউড এসডিএন. বিএইচডির কর্মীরা বেতন না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। প্রতিষ্ঠানে মোট প্রায় ২৫০ জন অভিবাসী শ্রমিক কাজ করেন। তাদের মধ্যে ১২৬ জন বাংলাদেশি। তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তারা মজুরি পাননি। এই পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়ায় থাকা শ্রমিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশে তাদের পরিবারগুলোও আর্থিক সংকটে পড়েছে।

কর্মপরিবেশ ও চুক্তির অমিল

১২ আগস্ট ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে পত্রিকার প্রতিবেদনে জানানো হয়, শ্রমিকদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও নেপালের নাগরিক অন্তর্ভুক্ত। তারা অভিযোগ করেন, নিয়োগপত্রে যে শর্ত ও কর্মপরিবেশ উল্লেখ করা হয়েছে, বাস্তবে তার সাথে অনেক ক্ষেত্রেই মিল নেই।

শ্রমিকরা জানান, চুক্তি অনুযায়ী তাদের প্রতিদিন আট ঘণ্টা কাজ করতে হয়। কিন্তু বাস্তবে তারা দৈনিক বারো ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করছেন। এর বিনিময়ে তারা প্রতিদিন ৬৫ রিঙ্গিত মজুরি পান। এছাড়াও নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটি পাওয়া যায় না বলেও তারা অভিযোগ করেছেন।

ঋণের চাপে পরিবার

১২৬ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের পক্ষে এক মুখপাত্র বলেন,

বেতন না পাওয়ায় আমরা মালয়েশিয়ায় দৈনন্দিন খরচ চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। একই সঙ্গে দেশে থাকা পরিবারের সদস্যরাও ঋণ ও বাইরের কিস্তি পরিশোধ করতে সমস্যায় পড়েছেন।

তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়ায় কাজ করতে আসার জন্য প্রতিটি শ্রমিক প্রায় ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজার রিঙ্গিত খরচ করেছেন। এর বড় একটি অংশ ব্যাংক ঋণ, জমির ওপর নেওয়া ঋণ অথবা আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার করা অর্থ দিয়ে পরিশোধ করা হয়েছে। আমাদের স্বজনরাও দেশে পাঠানো টাকার ওপর নির্ভরশীল। তিনি বলেন, আমরা এখানে যেমন সংকটে আছি, তেমনি আমাদের পরিবারের সদস্যরাও দুশ্চিন্তা ও আর্থিক সমস্যার মধ্যে রয়েছেন।

পাসপোর্ট আটক ও জামানতের দাবি

শ্রমিকরা আরও অভিযোগ করেন, কোম্পানি তাদের পাসপোর্ট আটকে রেখেছে, যা নিয়োগচুক্তির শর্তের লঙ্ঘন। বার্ষিক ছুটিতে নিজ দেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি শ্রমিকের কাছ থেকে ২৫০০ রিঙ্গিত জামানত চাওয়া হচ্ছে। শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় ফিরে আসা নিশ্চিত করার জন্য এই অর্থ নেওয়া হচ্ছে।

শ্রমিকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং শ্রম বিভাগকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে তাদের অভিযোগ তদন্ত করতে এখন পর্যন্ত কোনো কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে আসেননি বলে দাবি করেছেন তারা।

কোম্পানির পক্ষ থেকে বিবৃতি

কোম্পানির এক মুখপাত্র বেতন পরিশোধে বিলম্বের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি কিছু সমস্যার মুখোমুখি হওয়ায় শ্রমিকদের বেতন দিতে দেরি হচ্ছে। তিনি জানান, শ্রমিকদের বেতনের একটি অংশ এরই মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। তবে কত টাকা পরিশোধ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি।

কোম্পানির মুখপাত্র বলেন, আমরা তাদের পাওনা পরিশোধ করব না এমন কথা বলছি না। যত দ্রুত সম্ভব তাদের বকেয়া পরিশোধ করার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। তবে শ্রমিকরা কোম্পানির দেওয়া পরিকল্পনা মানতে চাইছেন না এবং তাদের সঙ্গে আলোচনা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, শ্রমিকরা 'আক্রমণাত্মক' আচরণ করছেন। কোম্পানির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, শ্রমিকদের দাবির পরিমাণ প্রতিদিন বাড়ছে, ফলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। শ্রমিকদের অন্যান্য অভিযোগও কোম্পানির ওপর চাপ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে অতিরঞ্জিত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কোম্পানির মুখপাত্র।

কোম্পানিটির বিদেশি বাজারের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা ও উপসাগরীয় দেশগুলো রয়েছে। শ্রমিকরা আশা করছেন, মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

Related Reading

Frequently Asked Questions

What is ম লয় শ য়?

ম লয় শ য় is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does ম লয় শ য় matter?

ম লয় শ য় matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.