মালয়েশিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও অবদান নিয়ে আলোচনা সভা
ম লয শ য য জ ল – ১৯ জুলাই বিকেলে মালয়েশিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল এবং রেমিট্যান্স শাটডাউনের গুরুত্ব এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক শুরু
অনুষ্ঠানের শুরু হয় কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে যেখানে লোকমান হাকিম কর্তৃক সূচনা করা হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে সক্রিয় কার্যক্রম শুরু হয়।
সভার বক্তৃতা ও অংশগ্রহণ
সভাটি সঞ্চালনা করেন কুয়ালালামপুর আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হন অধ্যাপক ড. আবুল বাশার যিনি প্রবাসীদের কর্মকান্ডের বিষয়ে মন্তব্য করেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া চ্যাপ্টারের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এনামুল হক। তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্মৃতি গড়ে তোলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।”
যোগদানকারী বক্তারা
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সংগঠনের সদস্য সচিব আলম রওশন। আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সদস্য আকাশ আলমগীর, সেলাংগর আঞ্চলিক কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল এবং কুয়ালালামপুর আঞ্চলিক কমিটির যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস বিথী।
আহত জুলাইযোদ্ধা মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, “আন্দোলনে আহত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার থেকে কোনো সহায়তা পাওয়া যায়নি। তিনি আহত যোদ্ধাদের প্রাপ্য সহায়তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।”
বিশেষ অংশগ্রহণ ও শেষ পর্ব
ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন শহীদ তাহমিদের মা, শহীদ ইমনের ভাই, জুলাইযোদ্ধা কানিজ ফাতেমা এবং শহীদ সাজ্জাদের বাবা। বক্তারা স্মরণ করেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহত যোদ্ধাদের অবদান সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।
সভায় জুলাইযোদ্ধা আব্দুল আহাদ সরাসরি উপস্থিত থেকে স্মৃতিচারণ করেন। আহত জুলাইযোদ্ধা মোহাম্মদ ওমর ফারুক এবং অন্যান্য বক্তাদের মতামত ও প্রস্তাব প্রকাশ করা হয়।
এনসিপি �