মিশরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আল-কুরআন বিতরণ
ব ল দ শ শ ক ষ – মানবিক সংগঠন মাই ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে মিশরের তানতা শহরের জামেয়া শাবাব সিম্মিল্লা হিফজ মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মাঝে ৭০০ কপি পবিত্র আল-কুরআন বিতরণ করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি লং কোর্স–৭৫ (BMA L/C75) এর আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হয়। মাদরাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় ব্যক্তিগণ অংশ গ্রহণ করেন।
উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ জাগানো হয়েছে
পবিত্র কুরআন হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের আবহ গড়ে উঠেছে। এই উদ্যোগ মাই ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের চলমান ‘সাদকাহ জারিয়াহ’ প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি জানান, এই প্রকল্পের আওতায় এখনো বিভিন্ন অঞ্চলে ১ হাজার ২০০টিরও বেশি আল-কুরআন বিতরণ করা হয়েছে।
পবিত্র কুরআন কেবল একটি গ্রন্থ নয়; এটি একটি জীবনের দিশা। কুরআনের শিক্ষা যত বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে, ততই সমাজে নৈতিকতা ও শান্তির চর্চা বিস্তৃত হবে।
ফিলিস্তিনের সংকটে সহায়তা অব্যাহত রয়েছে
গাজার অভ্যন্তরে পরিচালিত ‘সেন্ট্রাল কিচেন’ থেকে অব্যাহত রয়েছে খাদ্য বিতরণ। এছাড়া বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে হাজার হাজার লিটার পানি সরবরাহ করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে প্রায় এক হাজার পরিবার উপকৃত হচ্ছে।
বিশেষ করে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে মানবিক সহায়তার পরিধি শুধু খাদ্য ও পানিতেই সীমাবদ্ধ নয়। গৃহহীন মানুষের জন্য তাঁবু ও মসজিদ নির্মাণ করা, আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা সহায়তা এবং চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া কাজ অব্যাহত রয়েছে।
মানবতার সেবাই আমাদের অঙ্গীকার। যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ ও সংকটে বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও বিস্তার পাবে।
আরও বিশেষ করে কায়রোর হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন ফিলিস্তিনি রোগীদের সহায়তা করা হচ্ছে। মিশরে অবস্থানরত প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি ফিলিস্তিনি পরিবারকে প্রতি তিন থেকে চার মাস অন্তর ফুড বক্স ও নগদ অর্থ সরবরাহ করা হচ্ছে।