Probash

অর্থনৈতিক করিডরের আগে জাতীয় স্বার্থের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন জরুরি

অর্থনৈতিক করিডরের আগে জাতীয় স্বার্থের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন জরুরি অর থন ত ক কর ডর র - বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে একটি সিদ্ধান্ত শুধু

Desk Probash
Published June 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
dfbba1b0-7413-46fe-8333-58e9f4846f37-0
Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

অর্থনৈতিক করিডরের আগে জাতীয় স্বার্থের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন জরুরি

Bangladailypost.com – অর থন ত ক কর ডর র – বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে একটি সিদ্ধান্ত শুধু অর্থনৈতিক মামুলি বিষয়ে নয়, বরং আগামী কয়েক দশকের ভূরাজনৈতিক অবস্থানের প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত। চীনের প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক করিডর প্রকল্প সম্পর্কে আলোচনা বাড়ছে যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্কে স্থায়ী পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। এটি পরাশক্তির প্রতিযোগিতার নতুন অধ্যায় হিসেবে কেউ দেখছেন, আবার কেউ এটিকে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত বলে বিবেচনা করছেন।

বাংলাদেশ আগে স্পষ্টতার সাথে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। সর্বপ্রথম কোথায় দেশের প্রতিটি সম্ভাব্য লাভ ও ঝুঁকি অনুসন্ধান করা জরুরি। জাতীয় স্বার্থের পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন ছাড়া কোন উদ্যোগ এখনো সফলতা পেতে পারে না। ভৌগোলিক স্থান কারণে দেশের সুযোগ ও দায়িত্ব একই সময়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থনৈতিক করিডর বাস্তবায়িত হলে তা কেবল রাস্তা বা বন্দর নির্মাণের মধ্যে থাকবে না। সীমান্ত নিরাপত্তা, কাস্টমস ব্যবস্থাপনা ও রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনাধীন হবে।

অর্থনৈতিক করিডর কি রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান বাহন হতে পারে?

আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ প্রায় এক কোটি মানুষের জন্য রোহিঙ্গা সংকটের মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে। কিন্তু তার স্থায়ী সমাধান হয়নি। অর্থনৈতিক সহযোগিতার সঙ্গে সাথে মানবিক দায়িত্বকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। তাই বাংলাদেশ যেন কূটনৈতিক চাপ বা অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার কারণে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতার ঝুঁকি নিয়ে না থাকে।

আমি মনে করি, এখন সময় এসেছে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক উদ্যোগের। যেখানে শুধু একটি অর্থনৈতিক করিডর নয়, বরং ‘বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার এবং চীনের আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম’ গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।

আরও একটি প্রশ্ন হলো বাংলাদেশ কীভাবে অর্থনৈতিক করিডর বাস্তবায়নের পর সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং প্রতিযোগিতা বিষয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নেবে। বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখতে হবে, কারও বিরুদ্ধে অবস্থান করতে পারে না। এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পের সম্পর্কে আলোচনা বাড়ছে যা জাতীয় স্বার্থ ও �

Leave a Comment