ছয় মাসে সরকারের আয়না: প্রাপ্তির পাশে অপ্রাপ্তির হিসাব
ছয় ম স সরক র র আয়ন - একটি সরকারের বয়স যখন ছয় মাস, তখন তাকে পূর্ণাঙ্গ সাফল্য কিংবা ব্যর্থতার সনদ দেওয়ার সময় হয়তো আসেনি। কিন্তু ছয় মাস কম সময়ও নয়। এই সময়ের
Table of Contents
Bangladailypost.com – ছয় ম স সরক র র আয়ন – একটি সরকারের বয়স যখন ছয় মাস, তখন তাকে পূর্ণাঙ্গ সাফল্য কিংবা ব্যর্থতার সনদ দেওয়ার সময় হয়তো আসেনি। কিন্তু ছয় মাস কম সময়ও নয়। এই সময়ের মধ্যে সরকারের অগ্রাধিকার, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ধরন, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতার একটি স্পষ্ট রেখাচিত্র তৈরি হয়ে যায়। ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হলো। এই ছয় মাসকে তাই শুধু সময়ের হিসাব দিয়ে নয়, প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির ব্যবধান দিয়ে বিচার করাই বেশি জরুরি। সরকার যখন দায়িত্ব নেয়, তখন বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল নানা চাপের মধ্যে। মূল্যস্ফীতি, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, বিনিয়োগের স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং প্রশাসনিক আস্থার ঘাটতি—সব মিলিয়ে নতুন সরকারের সামনে ছিল একসঙ্গে বহু ফ্রন্টে লড়াইয়ের বাস্তবতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে অনিশ্চয়তা। ছয় মাসের হিসাব তাই সাদা-কালো নয়। কোথাও আশার আলো আছে, আবার কোথাও পুরোনো অন্ধকারও যথেষ্ট ঘন। সরকারের সবচেয়ে দৃশ্যমান অর্জনের একটি হলো সামষ্টিক অর্থনীতিতে কিছুটা স্থিতি ফেরানোর চেষ্টা। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে স্বস্তি ফিরেছে, প্রবাসী আয় শক্তিশালী হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি এবং একটি নতুন বার্ষিক রেকর্ড। নতুন অর্থবছরের প্রথম মাসেও প্রবাহের গতি ভালো ছিল; জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। রিজার্ভের অবস্থানও আগের সংকটকালীন পরিস্থিতির তুলনায় অনেক স্বস্তিদায়ক। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে জুন শেষে মোট রিজার্ভ ছিল প্রায় ৩৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড BPM6 অনুযায়ী প্রায় ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। ছয় মাসে সরকার কিছুটা পথ এগিয়েছে। কিন্তু পথটি এখনো দীর্ঘ। এখন প্রয়োজন প্রচারের চেয়ে কর্মদক্ষতা, প্রতিশ্রুতির চেয়ে বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক সুবিধার চেয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার সাহস। আগামী ছয় মাসেই বোঝা যাবে—এই সরকার কেবল ক্ষমতার পরিবর্তনের সরকার, নাকি সত্যিই রাষ্ট্র পরিচালনার সংস্কৃতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চায়। এগুলো অবশ্যই সরকারের জন্য ইতিবাচক খবর। তবে এখানে একটি মৌলিক প্রশ্ন আছে—এই স্বস্তি কি অর্থনীতির উৎপাদনশীল ভিত শক্তিশালী হওয়ার ফল, নাকি মূলত রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সাময়িক স্বস্তি? প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রেমিট্যান্স বাড়া অর্থনীতির জন্য আশীর্বাদ হলেও দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির বিকল্প নয়। রপ্তানি খাতের চিত্রও মিশ্র। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। পোশাক রপ্তানিও কমেছে। অথচ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার—আগের বছরের বাস্তব অর্জনের চেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। বৈশ্বিক বাজারে চাহিদার দুর্বলতা, জ্বালানি ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তার মধ্যে এই লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে না। অর্থাৎ রেমিট্যান্সে সাফল্য থাকলেও রপ্তানি ও উৎপাদনভিত্তিক অর্থনীতিতে এখনো বড় প্রশ্নচিহ্ন রয়ে গেছে। সবচেয়ে বড় অপ্রাপ্তির জায়গা সম্ভবত মূল্যস্ফীতি। একজন সাধারণ মানুষের কাছে অর্থনীতির সাফল্য-ব্যর্থতার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূচক হলো বাজারের ব্যাগ। তিনি রিজার্ভের হিসাব বোঝেন না, প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসও তার কাছে বিমূর্ত; কিন্তু বাজারে গিয়ে আগের তুলনায় কম পণ্য কিনতে হলে তিনি বুঝতে পারেন অর্থনীতি কোথায় দাঁড়িয়ে। জুনে দেশের পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। মে মাসে তা ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। অর্থাৎ কিছুটা কমেছে, কিন্তু টানা তৃতীয় মাস তা ৯ শতাংশের ওপরে থেকেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতিও ছিল ৮ দশমিক ৬ শতাংশ। এখানেই সরকারের সামনে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা। মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে—এটি ইতিবাচক। কিন্তু মানুষের আয় যদি একই হারে না বাড়ে, তাহলে মূল্যস্ফীতির সামান্য পতনও স্বস্তি তৈরি করে না। বাজারে চাল, ডাল, মাছ, সবজি, ওষুধ, বাসাভাড়া ও শিক্ষার ব্যয় যখন পরিবারের আয়কে ক্রমাগত চাপে রাখে, তখন ‘মূল্যস্ফীতি কমেছে’ কথাটি সাধারণ মানুষের কাছে খুব বেশি অর্থ বহন করে না। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলও বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ দেখছে। জুলাইয়ে আইএমএফ বলেছে, বাংলাদেশ এখনো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, দুর্বল ব্যাংকিং খাত ও সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার মতো সমস্যায় আছে। সংস্থাটি FY2027-এ প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে আসতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এবং ব্যাংকিং খাত পুনর্গঠন, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি ও ভর্তুকি ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছে। এখানে সরকারের একটি বড় অপ্রাপ্তি হলো—অর্থনীতির কাঠামোগত সংস্কারে দৃশ্যমান গতি এখনো প্রত্যাশার তুলনায় কম। বিশেষ করে খেলাপি ঋণ, দুর্বল ব্যাংক, কর-জিডিপি অনুপাত, অদক্ষ সরকারি ব্যয় এবং বেসরকারি বিনিয়োগের স্থবিরতা—এসব সমস্যার সমাধান ছাড়া কেবল রিজার্ভ বাড়িয়ে অর্থনীতি টেকসই করা সম্ভব নয়। উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রেও সতর্ক হওয়ার মতো তথ্য আছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের হার নেমে এসেছে ৬৭ দশমিক ৫২ শতাংশে, যা সাম্প্রতিক সময়ের সর্বনিম্ন। রাজনৈতিক পরিবর্তন, প্রশাসনিক রদবদল ও প্রকল্প পুনর্মূল্যায়নের কারণে বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। প্রকল্পে কাটছাঁট কিংবা অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প বাদ দেওয়া অবশ্যই ভালো। কিন্তু প্রয়োজনীয় প্রকল্পের বাস্তবায়ন ধীর হয়ে গেলে অর্থনীতিতে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সরকারের সামনে তাই চ্যালেঞ্জ হলো—উন্নয়ন ব্যয় কমানো নয়, অপচয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয়ের মান বাড়ানো। সুশাসনের ক্ষেত্রেও ছবিটি দ্বিমুখী। সরকার স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের কথা বলছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে জবাবদিহি বাড়ানো, ডিজিটাল নজরদারি, প্রকল্প পরিচালক নিয়োগে নতুন নীতি এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কথার সঙ্গে কাজের দূরত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। সরকারের প্রথম ১০০ দিন পর টিআইবি বলেছিল, দলীয় নিয়োগ, দুর্বল প্রতিষ্ঠান এবং জবাবদিহির ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। এটি সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা। একটি সরকার শুধু আগের সরকারের ভুলের সমালোচনা করে নতুন হয়ে ওঠে না; তাকে নিজের কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয় যে সে সত্যিই ভিন্ন। প্রশাসনে দলীয়করণ যদি কেবল পক্ষ বদলের মাধ্যমে ফিরে আসে, তাহলে জনগণের কাছে পরিবর্তনের অর্থই বদলে যায়। আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রেও সরকারের অবস্থান কঠোর। সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজি ও অপরাধ দমনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা বলা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সক্রিয় করা হয়েছে। কিন্তু মানুষের নিরাপত্তাবোধ শুধু অভিযান দিয়ে তৈরি হয় না। মামলা গ্রহণ থেকে তদন্ত, তদন্ত থেকে বিচার এবং বিচার থেকে রায়—পুরো প্রক্রিয়ায় আস্থা ফিরিয়ে আনতে হয়। পুলিশকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতও সরকারের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে উঠেছে। গ্যাস সংকট ও বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে সম্প্রতি সরকারকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে—ডিজেল ১১৫, অকটেন ১৪৫, পেট্রোল ১৪০ ও কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে। এটি স্বস্তির সিদ্ধান্ত হলেও দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার বিকল্প নয়। পররাষ্ট্রনীতিতে সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ধরনের বাস্তববাদী অবস্থান নেওয়ার কথা বলছে। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীও কথা বলেছেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এখন এমন এক পর্যায়ে, যেখানে আবেগের চেয়ে জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, সীমান্ত নিরাপত্তা, পানি, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক ভারসাম্যকে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। ছয় মাসের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি তাই হয়তো এই যে, সরকার কিছুটা স্থিতির ভিত তৈরি করতে পেরেছে। সবচেয়ে বড় অপ্রাপ্তি হলো—সেই স্থিতি এখনো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের দৃশ্যমান স্বস্তিতে রূপান্তর করা যায়নি। সরকারের সামনে এখন সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে। মূল্যস্ফীতি কমাতে শুধু বাজার মনিটরিং নয়, সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। ব্যাংকিং খাতের অসুস্থতা আড়াল না করে কঠোর সংস্কার করতে হবে। কর আদায়ের ভিত্তি বাড়াতে হবে, কিন্তু সাধারণ করদাতার ওপর নির্বিচারে চাপ না দিয়ে বড় কর ফাঁকি ও অনানুষ্ঠানিক অর্থনীতিকে কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে। রপ্তানিকে পোশাকনির্ভরতা থেকে বের করে ওষুধ, চামড়া, কৃষিপণ্য, আইটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও উচ্চমূল্যের উৎপাদনে নিতে হবে। তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে না পারলে অর্থনৈতিক স্থিতি কখনো সামাজিক স্থিতিতে পরিণত হবে না। সবচেয়ে বড় কথা, সরকারকে আত্মতুষ্টি থেকে দূরে থাকতে হবে। ছয় মাসের সাফল্য প্রচারের চেয়ে ছয় মাসের ব্যর্থতা স্বীকার করার রাজনৈতিক সাহস অনেক বেশি মূল্যবান। কারণ যে সরকার নিজের দুর্বলতা দেখতে পারে, সে-ই তা সংশোধন করতে পারে। ছয় মাস আসলে কোনো সরকারের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল নয়; এটি প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার মুহূর্ত। সামনে যে পরীক্ষাটি, তার বিষয়গুলো জনগণ খুব ভালোভাবেই জানে—বাজারে স্বস্তি, কর্মসংস্থান, নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, শক্তিশালী ব্যাংক, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, বিনিয়োগের পরিবেশ এবং মর্যাদাপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি। সরকারের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি হলো—পরিসংখ্যানের সাফল্যকে মানুষের জীবনের সাফল্যে রূপান্তর করা। রিজার্ভ বাড়বে, রপ্তানি বাড়বে, প্রবৃদ্ধি বাড়বে—এসব প্রয়োজনীয়। কিন্তু শেষ বিচারে রাষ্ট্রের সাফল্য মাপা হবে সেই নাগরিকের জীবনে, যিনি মাসের শেষে হিসাব কষে দেখেন তাঁর আয় দিয়ে সংসার চলে কি না; সেই তরুণের জীবনে, যিনি একটি চাকরির আশায় দরজায় দরজায় ঘোরেন; সেই উদ্যোক্তার জীবনে, যিনি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা দাঁড় করাতে চান এবং সেই সাধারণ মানুষের জীবনে, যিনি চান—রাষ্ট্র যেন সংকটের সময় তাঁকে একা ফেলে না যায়। ছয় মাসে সরকার কিছুটা পথ এগিয়েছে। কিন্তু পথটি এখনো দীর্ঘ। এখন প্রয়োজন প্রচারের চেয়ে কর্মদক্ষতা, প্রতিশ্রুতির চেয়ে বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক সুবিধার চেয়ে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার সাহস। আগামী ছয় মাসেই বোঝা যাবে—এই সরকার কেবল ক্ষমতার পরিবর্তনের সরকার, নাকি সত্যিই রাষ্ট্র পরিচালনার সংস্কৃতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চায়। লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট। ডেপুটি এডিটর, জাগো নিউজ। [email protected]
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ছয় ম স সরক র র আয়ন?
ছয় ম স সরক র র আয়ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ছয় ম স সরক র র আয়ন matter?
ছয় ম স সরক র র আয়ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.