Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

৭ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন ডা. দীপু মনি, শুনানি বুধবার

Published June 3, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

৭ মামলায় হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন ডা. দীপু মনি, শুনানি বুধবার

হাইকোর্টে জামিনের আবেদন ও শুনানি প্রক্রিয়া

Bangladailypost.com – ৭ ম মল য় হ ইক র - ডা. দীপু মনি রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা সাতটি মামলার জামিন চেয়েছেন হাইকোর্টে। স্থায়ী বেঞ্চ হিসেবে গঠিত বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে হাইকোর্টের শুনানি বুধবার (৩ জুন) পর্যন্ত পরিচালিত হবে। এই মামলাগুলির ওপর একটি বিস্তারিত শুনানি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং আদেশের জন্য আগামীকাল তার জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন বিচারপতিরা। এই প্রক্রিয়াটি মামলার ক্রমবর্ধমান সংখ্যার কারণে সম্ভবত কয়েকটি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্পষ্ট বিচার করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদনটি সংশ্লিষ্ট শাখায় দায়ের করেছেন এবং বিচারপতি কমিটির বিশেষ গুরুত্ব প্রদর্শন করেছেন তার বিচার প্রক্রিয়ার সম্পর্কে।

প্রাক্তন পদের আধার ও আরো বিস্তারিত তথ্য

ডা. দীপু মনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগের বিগত সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত সরকার পতনের পর তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দিন আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি সহিংসতার অভিযোগ প্রকাশ করেন। তার পর থেকে তিনি হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও দুর্নীতি সহ প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলার বিরুদ্ধে জড়িত হন। এই মামলাগুলির মধ্যে তিনি বিচারপতির তীব্র মতামত প্রদানের প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের নিবেদনে হাইকোর্টের তদন্বন নিশ্চিত করেছেন। এই বৃদ্ধি প্রক্রিয়াটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বিচারপতি কমিটি দ্বারা আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি প্রতিক্রিয়া নেওয়ার প্রক্রিয়া ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে।

তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদনটি জমা দিয়েছেন যখন সরকার তাঁকে পুলিশ দ্বারা গ্রেফতার করেছিল। গ্রেফতারের পর তাঁর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং এই অবস্থার কারণে তিনি হাইকোর্টে জামিনের আবেদন জমা দিয়েছেন। বর্তমান মামলাগুলির ক্ষেত্রে হাইকোর্টে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে যেহেতু তিনি প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। এই বিষয়টি হাইকোর্টে জামিনের আবেদনের মধ্যে বিস্তারিত তথ্যের আবশ্যকতা বৃদ্ধি করেছে এবং প্রতিবেদন প্রক্রিয়াটি স্পষ্ট করেছে যেহেতু মামলাগুলির বিরুদ্ধে তার স্বাক্ষর প্রদানের পর থেকে প্রতিবাদীদের পক্ষ থেকে বিচারপতির মূল্যায়নের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মামলাগুলির বিস্তারিত বিষয় ও সাংবিধানিক গুরুত্ব

৭ মামলার প্রতি তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়েছেন এবং এগুলির মধ্যে একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া বিষয়ে বিচারপতি কমিটি কার্যকর করছেন। তিনি পুলিশ বিভাগের নিবেদনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর থেকে হত্যার অভিযোগ �