Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

৪০০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস

Published May 29, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Garcia - bangladailypost.com

Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com

৪০০-৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস

মৌলভীবাজারে কম দামে মাংস পাওয়ার খবর

Bangladailypost.com – ৪০০ ৫০০ ট ক ক জ দর - বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে মৌলভীবাজারের চাঁদনীঘাট ব্রিজ এলাকায় কোরবানির মাংস কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এই দর প্রতি কেজি সাধারণ মানুষের বাজেটের মধ্যে আসছে বলে জানা গেছে। সাধারণ মাংসের দর প্রতি কেজি ৮০০ টাকার বেশি হলেও কোরবানির মাংস বিক্রি হচ্ছে একটি স্বাভাবিক দামে। এখানে স্থানীয় দোকানদারদের কাছ থেকে মাংস কিনতে সাধারণ মানুষ যোগাযোগ করছেন এবং তাদের স্বাদ পরিষ্কার করে নিচ্ছেন। দুটি হাজার টাকার মধ্যে কেজি দর রেখে মাংস বিক্রি করছেন এরা।

এই দরের প্রতিক্রিয়া এখন বিশেষ করে গরিব মানুষের জন্য মূল্যবান। কোরবানির মাংস খুব বেশি দরে বিক্রি হওয়ায় তারা খাওয়া জন্য বেশি সুবিধা পেয়েছেন। সাধারণ মানুষ বাসাবাড়ি থেকে মাংস সংগ্রহ করে দর দিয়ে বিক্রি করছেন। এটি অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধান করে একটি উপকারি সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বাজারের প্রতিক্রিয়া এবং অ্যাকশন প্লান

আন্তরিক সংগ্রহ করা কোরবানির মাংস বাজার প্রতিক্রিয়া বিশেষ করে সম্প্রতি এটি বিশেষ করে গ্রাহকদের সম্মুখে আসছে। বিক্রয় হার বেড়ে গেলে এই দরে মাংস বিক্রি করার একটি প্রক্রিয়া আছে। এটি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য প্রচুর লাভ হচ্ছে। অন্যদিকে গ্রাহকদের জন্য বেশি সুযোগ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

চান মিয়া ও রাজু আহমেদ বলেন, আমাদের পরিবারে পাঁচ সদস্য। আমরা দরিদ্র মানুষ। ঈদের দিন আমরা শহরের বাসার মাংস সংগ্রহ করি। একজন ব্যক্তি প্রতি কেজি মাংস সংগ্রহ করছেন। খাওয়ার জন্য যা প্রয়োজন তা রেখে বাকি মাংস বিক্রি করে দিয়েছি।

একজন ক্রেতা শাহিন আহমদ বলেন, বাড়ি চাঁদপুরে চাকরি সূত্রে মৌলভীবাজারে থাকি। বেতন কম এ জন্য কোরবানি দিতে পারিনি। এবার বাড়িতেও যাওয়া হয়নি। তাই এখান থেকে ৩ কেজি মাংস ১৫০০ টাকায় কিনেছি। এ মাংস যারা বিক্রি করেন তাদের জন্য ভালো আবার আমাদের মতো মানুষের জন্যও ভালো। কারণ তারা মাংস বিক্রি না করলে হয়ত কোরবানির মাংস আমরা খেতে পারতাম না।

কোরবানির মাংস এই দরে বিক্রি হওয়া সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই দর বিশেষ করে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। কেনার জন্য একটি মূল্যবান সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। যারা প্রতিযোগিতার সাথে দর দিচ্ছেন তারা ক্রেতাদের প্রাচুর্য পেয়েছেন।