Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

হালখাতায়ও আসেনি, বকেয়া ৪০-৪২ লাখ টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীর মাইকিং

Published May 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

হালখাতায়ও আসেনি, বকেয়া ৪০-৪২ লাখ টাকা আদায়ে ব্যবসায়ীর মাইকিং

Bangladailypost.com – হ লখ ত য়ও আস ন বক - পিরোজপুরের পাড়েরহাট এলাকায় দীর্ঘদিনের বকেয়া টাকা পড়ে থাকায় অর্থনৈতিক দুর্দশায় পড়েছেন ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম বাদশা। তার প্রতিষ্ঠানে বকেয়া পরিমাণ বর্তমানে ৪০-৪২ লাখ টাকা হয়েছে। তিনি হালখাতার আয়োজন করেছিলেন পাওনাদারদের টাকা আদায়ের জন্য, কিন্তু আশানুরূপ সাড়া পাননি।

শেষ পর্যন্ত তিনি সকাল থেকে মাইক ভাড়া করে দোকানে টাকা পরিশোধের আহ্বান জানান। মাইকিং চলবে বলে ঘোষণা করেছেন ব্যবসায়ী। তার দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে—‘মেসার্স আদিল আহনাফ এন্টারপ্রাইজ’ এবং ‘মেসার্স হাওলাদার ব্যাটারী’। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ শংকরপাশা গাজী বাড়ির বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বাদশা।

তিনি ২০১৯ সাল থেকে মুদি মালামাল, ইজিবাইক, ব্যাটারি ও বিভিন্ন খুচরা যন্ত্রাংশের ব্যবসা করে আসছেন। সাত বছরের মধ্যে পণ্য বিক্রির কারণে তার বকেয়া পড়ে গেছে ৪০-৪২ লাখ টাকা। অতিরিক্ত বাকি লেনদেনের কারণে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।

“আমি ২০১৯ সাল থেকে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি। মানুষের সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছি, যাতে আমারও ব্যবসা হয় এবং অন্য মানুষের উপকার হয়। এভাবেই আমি অনেক মানুষকে ব্যাটারি বাকিতে দিয়েছি, কিস্তিতে দিয়েছি। যখন যে আমার কাছে এসেছে, আমি তাকে সহযোগিতা করেছি। এমনও হয়েছে সকালে মাল নিছে বিকেলে দেওয়ার কথা বলে। কিন্তু বিকেল তো বিকেল, ছয় মাসেও কোনো খোঁজ নেই।”

ব্যবসায়ী আরও জানান, “সাত বছরের মধ্যে আগেও একবার হালখাতা করেছি। টাকা না পেয়ে আবারও হালখাতা করেছি। যাদের কাছে টাকা পাই, মাইক ভাড়া করে তাদের নাম ধরে ডাকছি। এরপরও যদি আমার টাকা পরিশোধ না করে, তাহলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাইকিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

স্থানীয় বাসিন্দা শরীফ শেখ বলেন, “মানুষের কাছে ৪০-৪২ লাখ টাকা পাবে কিন্তু তারা টাকা দিচ্ছে না, এমনকি দোকানের কাছেও আসে না। তাদেরকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বলা হয়েছে। এমনকি হালখাতার কার্ড দেওয়া হয়েছে। আমার কাছেও এক লাখ টাকা পাইতেন, আমি পরিশোধ করেছি। তিনি আমার যে উপকার করেছেন তা আমার বাবাও করেনি। আমার মতো যদি সবাই টাকা পরিশোধ করতো, তাহলে এই মানুষটির কোনো কষ্ট থাকতো না।”

মো. তরিকুল ইসলাম/এসআর/এএসএম