Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

হরমুজ প্রণালির বিকল্প / পাকিস্তানের ‘গোয়াদার বন্দর’ ঘিরে সৌদি-কুয়েত-চীনের নতুন কৌশল

Published May 31, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে গোয়াদার বন্দর কী ভূমিকা পালন করছে? সৌদি-কুয়েত-চীনের নতুন কৌশলের প্রভাব

Bangladailypost.com – হরম জ প রণ ল র ব - সামরিক অর্থনৈতিক সংকট এবং তেল নিরাপত্তার প্রাসঙ্গিকতা বৃদ্ধির পরিণতি হিসেবে হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে পাকিস্তানের গোয়াদার বন্দর এখন প্রধান স্থান অধিকার করেছে। হরমুজ প্রণালি সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ঘোষণার সময় দক্ষিণ এশিয়া জাতি নিজেদের জ্বালানি আমদানি চাহিদার সামনে বড় সংকট তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে সৌদি আরব ও কুয়েত গোয়াদার বন্দরের মাধ্যমে তেল মজুত সুবিধা বৃদ্ধি করার প্রস্তাব প্রস্তুত করছে। চীন বিশেষ করে এই উদ্যোগ সমর্থন করছে এবং পারস্য উপসাগরীয় এলাকার জ্বালানি প্রবাহে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটানোর জন্য সংক্ষিপ্ত সমাধান খুঁজছে।

তেল আমদানির সংকট বৃদ্ধির বিষয়ে গোয়াদার বন্দরের ভূমিকা

সৌদি আরব এবং কুয়েত এই পরিকল্পনার মাধ্যমে গোয়াদার বন্দরকে তেল আমদানি ব্যবস্থার সম্পূর্ণ পুনঃনির্মাণে গুরুত্ব দিচ্ছে। হরমুজ প্রণালি সাময়িকভাবে বন্ধ হলে পাকিস্তানে তেল সংকট প্রায় তিন মাসের মধ্যে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। এ কারণে এই বন্দর প্রধান জ্বালানি নিরাপত্তা কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে চলছে। বর্তমানে পাকিস্তানে জ্বালানি মজুত শক্তি মাত্র ২০-৩০ দিনের চাহিদা পূরণ করতে পারে। স্থায়ী সংকট মোকাবিলার জন্য এ মজুত স্থান নিরাপত্তার প্রায় ৯০ দিন পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে।

গোয়াদার বন্দর পারস্য উপসাগর অবস্থানের জ্বালানি নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাইরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সৌদি আরব এবং কুয়েত সম্মিলিতভাবে গোয়াদার বন্দরে তেল মজুত সুবিধা বিস্তার করার জন্য কৌশলগত ব্যবস্থা প্রস্তুত করছে। পাকিস্তান এ কৌশলের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে তেল আমদানি ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানোর ক্ষমতা পেয়েছে। গোয়াদার বন্দর পারস্য উপসাগরীয় জ্বালানি প্রবাহের উপর নির্ভর করে সম্ভবত প্রায় ৮০-৮৫ শতাংশ তেল প্রবাহিত হয়। এই অবস্থায় তেল আমদানি সংকট সমাপ্ত করার জন্য এই বন্দর সম