Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

স্বামীকে হত্যার পর হাড়-মাংস আলাদা করে ড্রামে ভরে রাখেন স্ত্রী

Published May 16, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Garcia - bangladailypost.com

Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com

স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ আলাদা করে ড্রামে ভরে রাখেন স্ত্রী

Bangladailypost.com – স ব ম ক হত য র - পরিবারের মধ্যে বিরোধের ফলে স্বামীকে হত্যা করে দেহের অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে। শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকায় তার স্বামী জিয়া সরদারকে আঘাত করে হত্যা করেন তিনি। এরপর মরদেহটি কয়েক টুকরো করে হাড়-মাংস আলাদা করে তিন দিন ড্রামে ভরে রাখেন।

স্বামীর সঙ্গে বিয়ে করেন প্রবাসী মহিলা

আসমা আক্তার পিরোজপুর জেলার মহিলা ছিলেন। তিনি ছয় বছর আগে মালেশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয়ে বিয়ে করেন। এটি তাদের দুই বিয়ের দ্বিতীয় বিবাহ। বিয়ের পর স্বামী তাকে শরীয়তপুর শহরে ভাড়া বাসায় রাখেন।

পরে জিয়া সরদার দেশে ফিরে চন্দ্রপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। সম্প্রতি পারিবারিক কলহ ঘটে যাওয়ার পর তার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষে জিয়া সরদার মাথায় রড দিয়ে আঘাত পেয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

মরদেহ প্রকাশ করতে বৃক্ষতলা এলাকার জন বাঁধে বিপত্তি

অটোরিকশা ভাড়া করে ড্রামে মরদেহের অংশ বস্তায় ভরে আসার পর তার মাংস শহরের পালং এলাকায় পুরাতন ভাড়া বাসার এক ভাড়াটিয়ার বাড়িতে ফ্রিজে রাখতে গেলে গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা জরুরী সেবা নম্বর কল দেয়। তখন পুলিশ তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

আমার ভাই প্রবাসে থাকাকালীন ওই নারীকে বিয়ে করেন। ভাই দেশে আসার পর আলাদা জায়গায় বাসাভাড়া নিয়ে থাকতো। কিছুক্ষণ আগে খবর পেয়েছি ভাইকে ওই নারী হত্যা করে ড্রামে ভরে মরদেহ ফেলে রেখেছে। ঘটনাস্থলে এসে দেখি সত্যিই এমনটা হয়েছে।

আসমা বেগম স্বামীকে হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমরা স্বামী প্রায়ই আমাকে মারধর করতো। রাতে কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে তাকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করলে সে মাটিতে পড়ে যায়। আমি বুঝতে পারিনি এতো জোরে আঘাত লাগবে। পরে চাকু দিয়ে মরদেহ টুকরো করে কয়েক জায়গায় ফেলে দেই। আমি একটা পিঁপড়াও মারিনি। কিন্তু এই ঘটনা কীভাবে ঘটে গেলো বুঝতে পারিনি।

ড্রাম খুলে সত্যতা প্রমাণ হয়

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ আলম বলেন, আসমা তার স্বামীকে হত্যা করে মরদেহের হাত-পা টুকরো করে হাড় মাংস আলাদা করে। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ড্রামে ভরে অটোতে করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখেন। পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করা হয়। তদন্ত চলছে।

তদন্ত করা হচ্ছে এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।