Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪৩৮৪ শিক্ষকের ভাগ্য ঝুলছে গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনে

Published June 4, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪৩৮৪ শিক্ষকের ভাগ্য ঝুলছে গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনে

নিয়োগ প্রক্রিয়া অগ্রগতি হয়নি

Bangladailypost.com – স প র শপ র প ত - সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগের অপেক্ষায় রয়েছেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক। তাদের নিয়োগে সংশয় তৈরি হয়েছে সরকারের আমলে দ্রুত প্রক্রিয়া অনুসরণ করার পর থেকে। সুপারিশের চার মাস পার হলেও কোনো আনুষ্ঠানিক যোগদান ঘটেনি তাদের।

মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য

বিএনপি সরকারের প্রতিষ্ঠার পর মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ নানান সময়ে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মতামত দিয়েছেন। যোগদান প্রক্রিয়া সংক্রান্ত সমস্যা ঘটলে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা আন্দোলনে নামার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকার বলেন, 'গত মে মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে এনএসআই মাধ্যমে ভেরিফিকেশন পরিচালনার জন্য।'

আন্দোলনে নামার সম্ভাবনা

প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দুই মাসের পিটিআই প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য শর্ত পূরণে তাদের কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন ও গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন নিয়ে তাদের অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের আশঙ্কা যে ব্যক্তি ও পরিবারের রাজনৈতিক অবস্থান গোয়েন্দা তদন্নে যাচাই করে প্রার্থীদের বাদ দেওয়া হতে পারে।

নওগাঁর একজন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক বলেন, 'পুলিশ ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা স্থানীয় বাজারে এসে আমার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করেছেন। তারা কী কী বলেছেন, সেটা আমি জানিও না। আমার পরিবারের জমি সংক্রান্ত ঝামেলা আছে। অনেকে আমাদের বিয়ে ভেঙে দিয়েছেন। চাকরির ক্ষেত্রে আমাদের নিশ্চয়তা কোথায়?'

নিয়োগ পরীক্ষা প্রক্রিয়া

চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলা (পার্বত্য তিনটি জেলা ছাড়া) সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তাতে ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়। গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়।

বিশেষ যাচাই কার্যক্রম

তাদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে তবুও আনুষ্ঠানিক যোগদানে কোনো সুযোগ পায়নি। গত এপ্রিলের শেষ দিকে তারা রাজধানীতে আন্দোলনে নামে। পরে তাদের প্রশিক্ষণসহ কিছু শর্তে যোগদান করানো হবে বলে ঘোষণা করেন মন্ত্রী। কিন্তু এক মাসের বেশি সময় পার হয়েছে তবুও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে চাকরি গ্রহণ করতে পারেনি।