Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সিসা লাউঞ্জ ইস্যু / ডিএমপি কমিশনারকে হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার আবেদন

Published May 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

সিসা লাউঞ্জ ইস্যু / ডিএমপি কমিশনারকে হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেওয়ার আবেদন

আদালত অবমাননার আবেদন জানানো হয়েছে

Bangladailypost.com – স স ল উঞ জ ইস য - রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে পরিচালিত সিসা ও হুক্কা লাউঞ্জ বন্ধ করার নির্দেশনা চাওয়ার পর তার কার্যকারিতা বাস্তবায়নে ব্যর্থতা অভিযোগ দাঁড় করিয়ে হাইকোর্ট বিভাগে ডিএমপি কমিশনারকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ চেয়ে আবেদন দাখিল করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের ন্যাশনাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান আপিল বিভাগের আইনজীবী এস এম জুলফিকার আলী জুনু হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদনটি জমা দেন। এটি রিট পিটিশনের ধারাবাহিকতায় করা হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, জনস্বার্থে দাখিল করা রিটে সিসা/হুক্কা লাউঞ্জে তামাকজাত দ্রব্য এবং মাদকসদৃশ উপাদান সেবনের অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন অভিজাত এলাকা ও বাণিজ্যিক জোনে গড়ে ওঠা লাউঞ্জগুলি তরুণ সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেশাজাতীয় সংস্কৃতি বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এগুলি প্রকাশ্যে আইন লঙ্ঘন করে ব্যবসা চালাচ্ছে।

রিটের প্রাথমিক শুনানির পর গত ৩ মার্চ হাইকোর্ট বিভাগ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি), র‍্যাব, ডিএমপি কমিশনার এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সহ কর্তৃপক্ষকে রুল জারি করে। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি আবেদন জমা দেওয়ার পর ডিএমপি কমিশনারকে ৬০ দিনের মধ্যে আইন অনুযায়ী নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সময় অতিক্রম করলেও কার্যকর অভিযান বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ দাখিল করা হয়নি।

রিট আবেদনকারী অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু বলেন, হাইকোর্ট জনস্বাস্থ্য, তরুণ সমাজ এবং আইনের শাসনের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেছেন। কিন্তু যদি অবৈধ লাউঞ্জ চলতেই থাকে, তাহলে এটি আদালতের আদেশের প্রতি প্রকাশ্য অবজ্ঞা হিসেবে বিবেচিত হবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আদেশ বাস্তবায়নে গাফিলতি প্রমাণিত হলে আদালত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে পারেন। আদালত কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত উপস্থিতি ও ব্যাখ্যা চাওয়ার মাধ্যমে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারেন বলেও মনে করেন তারা।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বনানী, গুলশান, ধানমন্ডি, উত্তরা ও কক্সবাজার সহ এলাকায় সিসা লাউঞ্জ পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। এগুলোতে তামাকজাত দ্রব্য সহ মাদকসদৃশ উপাদান ব্যবহার করা হচ্�