Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সরকারি অফিসকে আবাসিক ভবন বানিয়ে থাকছেন ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারী

Published May 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Mary Williams - bangladailypost.com

Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

ময়মনসিংহের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিস আবাসিক ভবনে পরিণত হয়েছে

Bangladailypost.com – সরক র অফ সক আব স ক - ময়মনসিংহের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে একটি পাঁচতলা ভবন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার নিয়ম-নীতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায় সেখানে অবস্থান করছেন। ভবনের পঞ্চম তলায় তিনটি কক্ষ ব্যবহার করছেন তত্ত্বাবধায়ক ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের দুটি কক্ষ ও ডাইনিং রুম। এতে কর্মকর্তাদের নিয়মিত রান্নাবান্না, বিদ্যুৎ এবং পানি সহ সুযোগ-সুবিধার অবাধ ব্যবহার চলছে।

সোমবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অফিসে যাওয়ার পর নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শফিকুর রহমানকে নিজ নিজ কক্ষে পাওয়া যায়নি। হাবিবুর রহমান নিজে বলেন, 'পরিবার ঢাকায় থাকায় আমি ময়মনসিংহে বাসা ভাড়া নিইনি। অফিসের গেস্ট রুমে থাকছি। ভাড়া হিসেবে আগামী জুন মাসে সরকারকে দেব।'

অফিসে কর্মরত আয়া মমতাজ বেগম জানান, গত ছয় মাস ধরে তিনি আট কর্মকর্তার জন্য তিনবেলা রান্না করছেন। প্রথমে জনপ্রতি এক হাজার টাকা দেওয়ার কথা বললেও এখন মোট ছয় হাজার টাকা দেয়। ঈদে বোনাস দেওয়ার কথা থাকলেও দেয়নি। তিনি বলেন, 'প্রতিদিন ৪-৫ পদের রান্না করতে হয়। সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কাজ করতে হয়।'

তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শফিকুর রহমানের কক্ষে তালা ঝুলতে দেখা যায়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সম্পাদক আলী ইউসুফ মন্তব্য করেন, সরকারি সম্পদের অপচয় হচ্ছে অফিসের নিয়মবহির্ভূত ব্যবহারের মাধ্যমে। তিনি বলেন, 'এটি অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এতে অন্য কর্মকর্তারাও সতর্ক হবেন।'

অভিযুক্ত উচ্চমান সহকারী হাদিউল ইসলাম মোড়ল বলেন, 'আমাদের চাকরির বিধিতে রাতযাপনের নিয়ম নেই। কিন্তু স্যার থাকায় বাধ্য হয়ে থাকতে হচ্ছে। স্যার না থাকলে আমরাও থাকবো না।'

এ বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইলি ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

‘সকাল ৯টায় হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে নাশতা খেতে উপরে উঠেছি।’