Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

সন্তানের জীবন বাঁচাতে ৭৫ লাখ টাকার লড়াইয়ে রাবি শিক্ষার্থী

Published May 27, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

সন্তানের জীবন বাঁচাতে ৭৫ লাখ টাকার লড়াইয়ে রাবি শিক্ষার্থী

একটি বিশাল অর্থ সংগ্রামে বাচ্চাটির স্বাস্থ্য প্রশ্ন তুলছে মা

Bangladailypost.com – সন ত ন র জ বন ব - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগের শিক্ষার্থী রাজিয়া সুলতানা মিতু তার সন্তানকে জীবিত রাখার জন্য সবচেয়ে বড় পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছেন—একজন অসহায় বাচ্চার জীবন রক্ষার জন্য অব্যাহত সংগ্রাম করছেন। তার সন্তান শারীরিক বিকাশে অস্বাভাবিকতা দেখা দিয়েছে জন্মের কিছুদিন পর থেকে এবং সময়ের সঙ্গে স্থিতি হারাচ্ছে। এখন সে স্বাভাবিকভাবে দাঁড়াতে, বসতে বা হাঁটতে পারে না। শ্বাস নেওয়া এবং খাবার গিলতে কষ্ট হয়। মেরুদণ্ড বাঁকা হয়ে গেলেও চিকিৎসকদের প্রতিক্রিয়া উদ্বেগজনক।

এই রোগের সমাধানের জন্য চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী এককালীন জিন থেরাপি ইনজেকশন সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু এ চিকিৎসার বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি ৫৫ লাখ টাকা। চীনের একটি প্রতিষ্ঠান “ভেসেমনোজিন” নামের ইনজেকশনের মাধ্যমে তুলনামূলক কম খরচে চিকিৎসার সুযোগ দিয়েছে, কিন্তু সেটি স্বাভাবিক শিশুর জীবন রক্ষার জন্য দরকার প্রায় ৭৫ লাখ টাকা। পরিবার এই মূল্যে চিকিৎসা দিতে সম্মতি দিয়েছে, কিন্তু তাদের পক্ষে এ অর্থ সংগ্রহ করা এখন সম্ভব নয়।

সঞ্চয় ও আত্মীয়স্বজনের সাহায্য মিলিয়ে কিছু অংশ জোগাড় হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ টাকা প্রাপ্ত হওয়া আরও দূর দিন। সামাজিক মাধ্যমে এই আহ্বান প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে সহপাঠী, শিক্ষক ও শুভানুধ্যায়ী সহায়তা করতে পারেন। তবে প্রয়োজনীয় অর্থের তুলনায় তা খুবই কম। দ্রুত চিকিৎসা প্রাপ্ত না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

ছেলেকে বাঁচানোর জন্য ফান্ড কালেকশন করছি। এখনো তেমন কালেকশন হয়নি। আপনারা যদি কিছু সহযোগিতা করেন বাচ্চাটাকে বাঁচানো সম্ভব হবে।

প্রতিদিন সন্তানের দিকে তাকিয়ে মনে হয় সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। শুধু চাই সন্তানটা বাঁচুক, একটু হাসুক, স্বাভাবিকভাবে বড় হোক। আপনাদের সাহায্য ছাড়া এটা সম্ভব না।

মানবিক সহায়তার আহ্বান তার পরিবারের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে। তারা সংগ্রামের কথা বলছেন, যখন সন্তানের জীবন রক্ষার জন্য আরও সময় কম হয়ে আসছে। মিতুর বাবা মো. আকিব হোসাইন শুভ জানান, বিশাল আর্থিক বোঝাপড়া সত্ত্বেও পরিবার প্রয়োজনীয় টাকা জোগাড় করছেন। এটি তাদের জন্য একটি মহাপ্রাণ পরিচয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।