Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

শহরের কোলাহল থেকে দূরে থাকতে বুড়িগঙ্গা ইকোপার্কে ভিড় করছেন অনেকেই

Published May 31, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

শহরের কোলাহল থেকে দূরে থাকতে বুড়িগঙ্গা ইকোপার্কে ভিড় করছেন অনেকেই

Bangladailypost.com – শহর র ক ল হল থ ক - ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন শনিবার সকাল থেকেই বুড়িগঙ্গা ইকোপার্কে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। যারা শহরের আওতায় আছেন তারা এখানে স্বস্তির নিঃশ্বাস খাইয়েছেন। পার্কটি রাজধানীর সংলগ্ন শ্যামপুরে প্রায় সাত একর জায়গায় অবস্থিত। তাই ঈদুল আজহার ছুটিতে পরিবার নিয়ে এখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিনোদন আর স্বাচ্ছন্দ্য মিশেছে এক অনন্য স্থানে

গাছের ছায়ায় আর নদীর কোলে সময় কাটাতে বুড়িগঙ্গা পাড়ে গেন্ডারিয়া এলাকায় সৃষ্ট বিনোদনকেন্দ্রটি শিশু এবং তরুণদের জন্য আকর্ষণীয়। এখানে মানুষ আনন্দে মেতে উঠেছেন। তাদের কাছে এটি সবুজ বৃক্ষরাজি আর বুড়িগঙ্গা নদীর একটি নির্মল স্থান হিসেবে চিহ্নিত।

পার্কটি সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর টিকিট সংগ্রহ ও বিক্রি বন্ধ হয়। প্রবেশের টিকিট জনপ্রতি ৫০ টাকা। রাইড উপভোগের জন্য খরচ হবে ৩০ থেকে ১০০ টাকা।

ঈদের তৃতীয় দিনে সকাল থেকে হাওয়া বাঁধেনি

শনিবার (৩০ মে) দুই দিনের তুলনায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা বেশি। যারা সকাল থেকেই আসছেন তাদের কথা শুনে পার্কের ম্যানেজার আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, কোরবানির ঈদের দিন বেশি লোক আসেনি। কিন্তু পরদিন লোকজনের আগমন ছিল মোটামুটি।

বিশেষ করে এখানে মেতে উঠেছে শিশু এবং কিশোরদের ভিড়। তাদের সঙ্গে মাতৃকার সঙ্গে ঘুরছেন সবাই। পার্কে আসার সময় তাদের মুখে আনন্দের ঝিলিক ছড়ানো দেখা গেছে।

বাবার উদ্দেশে সে চিৎকার করে বলে, ঢাকা শিশুপার্কে নেই। ঢাকার কোনো পার্কে এত এত রাইডস নেই, বাবা!

পার্কের আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য সমূহ

পার্কের দক্ষিণে রয়েছে একটি বড় ঘাট। সেখান থেকে বুড়িগঙ্গা নদী দেখা যায়। মাঝ বরাবর রয়েছে চওড়া পথ হেঁটে বেড়ানোর জন্য। পথের পাশে ঝাউ, দেবদারু ও কড়ই সহ দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ সাজানো হয়েছে। চারপাশে ছাউনি দেওয়া বেঞ্চ রয়েছে।

পার্কটি এখন সরাসরি বিনোদনের জন্য নির্বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এখানে দেখা যাচ্ছে ২৫টি বেশি রাইড। পার্কটি গেন্ডারিয়া থানা থেকে ৭০০ মিটার দূরে অবস্থিত। ঢাকার যে কোনো স্থান থেকে গাড়ি বা বাসে আসা সম্ভব।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) দ্বারা নদীর পাড়ের জায়গা উদ্ধার করে এই পার্কটি গড়ে তোলা হয়েছে। সেলফ কন্ট্রোল প্লেন, বোটারি কার, রকিং রেট ও কয়েন অপারেটেড বেবি ফিগার সহ বিভিন্ন রাইডের সামনে ছিল ভিড়। ওয়ান্ডার হুইলসহ বিনোদনপ্রেমীদের হাসি উঠেছে এখানে।