Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক সকালে

Published June 4, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক সকালে

Bangladailypost.com – র ম স হত য ম মল - রাজধানী ঢাকার পল্লবী এলাকায় শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আদালতে দায়ের করা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি আজ প্রস্তুত হবে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (৩ জুন) আদালত আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে সাক্ষ্য গ্রহণের পর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেছে। সাক্ষ্যগ্রহণের পর দুই আসামিকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। শুনানি শুরু হওয়ার আগে বিচারক মামলার ১৬ জন সাক্ষী ও আলামত সম্পর্কে আসামিদের সামনে তথ্য তুলে ধরেন।

সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচার প্রক্রিয়া

শুনানির প্রারম্ভে বিচারক রামিসার ধর্ষণের ঘটনা, সন্দেহভাজন ফ্ল্যাট চিহ্নিত করা ও রক্তের আলামত সহ মরদেহ উদ্ধারের বিষয়গুলি আলোচনা করেন। স্বপ্না আক্তারের পালার সহায়তা সম্পর্কেও আলোচনা হয়।

আত্মপক্ষ সমর্থনে সোহেল রানা বলেন, “আমি নির্দোষ স্যার। স্যার, আমাকে মাফ করে দিন।” যুক্তিতর্কে তিনি আরও জানান, “ডলারকে ধরেন। আমি অপরাধ করেছি, তাকেও ধরেন।” স্বপ্না আক্তার নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন, “আমি কিছু করিনি।”

রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, “প্রথমে আসামি নিজেকে নির্দোষ ঘোষণা করেছিলেন কিন্তু পরে সোহেল রানা নিজের দোষ স্বীকার করেন। বিচার প্রক্রিয়ায় এ বিষয়টি নথিতে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন জানিয়েছে।”

ডলার প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, “সোহেলের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে এ নাম উল্লেখ ছিল না। তদন্ত ও মামলার নথিতেও এ ধরনের তথ্য পাওয়া যায়নি। এটি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা বিচার প্রক্রিয়া বিলম্ব করার চেষ্টা হতে পারে।”

রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহ বলেন, “বুধবারের কার্যক্রম ছিল ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামি পরীক্ষা। এটি বিচার ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সাক্ষ্য-প্রমাণ সম্পন্ন হওয়ার পর আদালত যুক্তিতর্ক শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ করেছেন।”

পূর্বে মঙ্গলবার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য সম্পন্ন হয়েছে। সাক্ষীদের মধ্যে নিহত শিশুর বাবা-মা, বড় বোন ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী অন্তর্ভুক্ত ছিল। রামিসার বড় বোনের সাক্ষ্য ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয়। তদন্তে জব্দ করা কাটা গ্রিলসহ বিভিন্ন আলামত আদালতে প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করা হয়।

গত ১৯ মে পল্লবী এলাকার একটি বাসায় রামিসা আক