Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

যুবশক্তির নেতার বিরুদ্ধে সড়ক বন্ধের অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় ভাঙচুর

Published June 3, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

যুবশক্তির নেতার বিরুদ্ধে সড়ক বন্ধের অভিযোগ, প্রতিবাদ করায় ভাঙচুর

Bangladailypost.com – য বশক ত র ন ত র - যুবশক্তি র নেতার বিরুদ্ধে সড়ক বন্ধের অভিযোগ উঠেছে, যা প্রতিবাদ করায় বিষয়টি একটি বিস্ফোটক পরিস্থিতি হতে পারে। ঘটনাটি মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে সোনারগাঁ পৌরসভার ফতেকান্দি এলাকায় ঘটেছে, যেখানে যুবশক্তি র নেতা অনিক খান সিয়াম দ্বারা সরকারি সড়কে সীমানা বিতর্কের কারণে বেড়া দিয়ে চলাচল বন্ধ করা হয়েছিল। আর এই বন্ধ করার পর তার প্রতিবাদ করায় তার পরিবার সদস্যদের সাথে দীর্ঘদিনের সংঘর্ষের পরিণতি ঘটেছে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্থানীয় আবাদী প্রতিবাদ করে উঠেছে এবং প্রতিবাদের প্রতিক্রিয়া হিসেবে অনিক খান সিয়াম ও তার সহযোগীদের দুটি ঘর ভাঙচুর করা হয়েছিল। বিষয়টি বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার বিষয়।

সড়ক বন্ধ করার পরিপ্রেক্ষিত বিবরণ

যুবশক্তি র নেতা অনিক খান সিয়াম সরকারি সড়ক বন্ধ করে দেন, যা সীমানা বিতর্কের স্থায়ী প্রতিক্রিয়া হিসেবে চালু করা হয়। বুধবার (৩ জুন) সকালে অনিক খান সিয়াম ও তার সহযোগীদের নিয়ে সড়কে বিতর্ক ঘটেছে যেখানে তাইজুল ইসলাম পরিবার সদস্য নিয়ে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আপত্তি জানান। এই আপত্তির পর অনিক খান সিয়াম ও তার সহযোগীদের সাথে সংঘটিত হয়েছে একটি নিষ্প্রভাব প্রতিবাদের পরিণতি। প্রতিবাদের ফলে তার ভাতিজা আবুল বাশারের দুটি ঘর ভাঙচুর ও দুই লাখ টাকা লুট করা হয়েছিল। ঘটনার পর স্থানীয় আবাদীর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ঘটনাটি বিশেষ আকর্ষণ করেছে বিভিন্ন মাধ্যমে।

‘বাড়ির সীমানা বিতর্কে আমাদের অনিক খানের পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে সংঘর্ষ চলছিল। কিন্তু এখন তিনি আমাদের চলাচলের পথ বন্ধ করে দেন। আমরা প্রতিবাদ করার পর তার ভাতিজার দুটি ঘর ভাঙচুর ও দুই লাখ টাকা লুট করে নেয়।’ বলেন ভুক্তভোগী তাইজুল ইসলাম, যিনি অভিযুক্তদের প্রতিবাদ করার পর ঘটনার দাবি জানান। তিনি আরো বলেন যে সরকারি সড়কে বন্ধ করার ঘটনা পরিবারের ব্যক্তিগত সমস্যার ফলে ঘটেছিল।

ঘটনার মূল কারণ ও বিস্তার

যুবশক্তি র নেতা অনিক খান সিয়ামের বিরুদ্ধে সড়ক বন্ধ করার ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে সীমানা বিতর্কের জন্য দুই পক্ষ