Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সমঝোতা চুক্তিতে যা থাকছে

Published May 29, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আগামী ৬০ দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বিষয়ে চুক্তির মূল বিষয়গুলো চূড়ান্ত হয়ে আসছে

Bangladailypost.com – য ক তর ষ ট র ইর - মার্কিন কর্মকর্তারা ঘোষণা করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি আরও দুই মাস বাড়ানোর জন্য একটি স্থায়ী সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও চুক্তি স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায় যে উভয় পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে সামাজিক মুখ্য পয়েন্টে একমত হয়েছে, যা যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিন বৃদ্ধি করবে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আরও বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও স্বাক্ষর করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেননি। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, চুক্তি কবে বা কি শর্তে স্বাক্ষর হবে তা স্পষ্ট হয়নি।

“কিছু ভাষাগত বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে আমরা অনেক প্রগতি করেছি,” ভ্যান্স উল্লেখ করেন।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেনসেট বলেন, সম্ভবত আমরা একটি চুক্তির ভিত্তি পেয়ে গেছি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন কর্মকর্তারা পূর্বে উল্লেখ করেছেন যে ট্রাম্পের নির্ধারিত কিছু লাল দাগ পূরণ হয়নি।

এক্সিওস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ৬০ দিনের চুক্তির মূল বিষয়গুলোর একটি হল হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার জন্য ইরান কোনো টোল বা হয়রানি প্রদান করতে হবে না। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ধাপে ধাপে ইরানের বন্দরগুলো থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে, যার পরিমাণ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কতটা পুনরুদ্ধার হবে তার ওপর নির্ভর করবে।

চুক্তির অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ইরান পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি থেকে সরে আসার প্রতিশ্রুতি দেবে। তবে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে মতপার্থক্য আছে।

গত ৭ এপ্রিল থেকে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার উভয় পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। তবুও বেনসেট দাবি করেন, যুদ্ধবিরতি এখনও বহাল রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ইরানের প্রস্তাবে তিনি এখনও সন্তুষ্ট নন। তিনি বলেন, “যুদ্ধ অবসানের যেকোনো চুক্তির শর্ত হিসেবে ইরান অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি থেকে সরে আসতে হবে।”