Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ভর্তি কমেছে ২০ শতাংশ, কারণ কী?

Published May 15, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Joseph Hernandez - bangladailypost.com

Foto : Joseph Hernandez - bangladailypost.com

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভর্তি হ্রাস পেয়েছে ২০ শতাংশ

Bangladailypost.com – য ক তর ষ ট র আন - বিশ্ববিদ্যালয়গুলি দেখা যাচ্ছে যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি বাড়তি নজরদারি কারণে ঘটেছে। অন্যদিকে এশিয়া ও ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রভাব দেখা যাচ্ছে

নাফসা সহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বসন্ত সেমিস্টারে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর ভর্তি গত বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে। সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা ১৪৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় ৬২ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। স্নাতকোত্তর ক্ষেত্রে গড়ে আরও ২৪ শতাংশ কম ভর্তি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর অবস্থা খারাপ হতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর আগমন গত আগস্টে ১৯ শতাংশ কমে যায়। এর ফলে গত শরতে যুক্তরাষ্ট্রে মোট আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ দশমিক ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এটি তিন বছরের মধ্যে প্রথম পতন। সাইমন মার্জিনসন বলেন, যতদিন প্রশাসন পৃথিবীকে শত্রুতে ভরা একটি জায়গা হিসেবে দেখবে, ততদিন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

“এটা বলা অতিরঞ্জন হবে যে যুক্তরাষ্ট্র আর আকর্ষণীয় নয়। এখনও এটি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্য। তবে অন্যান্য দেশের সঙ্গে ব্যবধান অনেক কমে গেছে।”

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কমতে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বাজেটে চাপ পড়বে। এছাড়া শিক্ষাঙ্গনের বুদ্ধিবৃত্তিক বৈচিত্র্যও কমে যেতে পারে। অন্যদিকে এশিয়া ও ইউরোপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আকর্ষণ করছে।

আশাবাদ বাড়ছে এশিয়া ও ইউরোপে

নতুন জরিপ অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়া বাদ দিয়ে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৮২ শতাংশ ও ইউরোপের ৪৭