Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মোবাইল মেরামতের বকেয়া চাওয়ায় বন্ধুর হাতে খুন

Published June 2, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Garcia - bangladailypost.com

Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com

মোবাইল মেরামতের বকেয়া চাওয়ায় বন্ধুর হাতে খুন

Bangladailypost.com – ম ব ইল ম র মত র - ঈদগাঁও জালালাবাদে মোবাইল মেরামতের বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে বাকবিতন্ডায় ছুরিকাঘাতে বন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ১০টায় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার সালিম উল্লাহর বাড়ির কাছে ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তারা বন্ধু সায়েমকে আটক করে স্থানীয়দের কাছে প্রতিবেদন প্রক্রিয়া শুরু করে। এ বিষয়ে চিন্তা করা হয়েছে যে মোবাইল মেরামতের বকেয়া বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে অংশগ্রহণ করা সালিম উল্লাহ এবং সায়েমের মধ্যে আঘাতের বিস্তার হয়েছিল। ঘটনার কিছু কারণে সায়েম এখন পর্যন্ত হত্যার অভিযোগ জানায়।

প্রাথমিক পর্যায়ে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ

নিহত হামিদ উল্লাহ (১৯ বছর) জালালাবাদ দক্ষিণ লরাবাক এলাকার আবুল কালামের ছেলে। তিনি একটি মোবাইল মেরামত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা গেলে সালিম উল্লাহ প্রতিদ্বন্দ্বীর হাতে আঘাত পান। মোবাইল মেরামতের বকেয়া চাওয়ায় সংঘর্ষের পর তাঁর বন্ধু সায়েম ছিদ্দিক আহমেদের ছেলে হত্যার অভিযোগ জানিয়েছেন। পুলিশ তদন্নার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যাতে মোবাইল মেরামতের বকেয়া পরিশোধের বিষয়ে প্রকৃত ঘটনা বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হবে।

অপরাহ্ণে ঘটনার পর প্রতিক্রিয়া

মোবাইল মেরামতের বকেয়া চাওয়ায় ঘটনার পর স্থানীয় সম্প্রদায় গুঞ্জন জানিয়েছে। কিছু সাক্ষী বলেছেন যে সালিম উল্লাহ তাঁর বন্ধু সায়েমকে হত্যার অভিযোগ জানানোর পর ঘটনার সত্যতা নিয়ে আলোচনা চলছে। এ সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত করতে চায় যে মোবাইল মেরামতের বকেয়া বিষয়ে নিহত হামিদের পরিবার কেন আঘাত করেছেন। যদিও অভিযুক্ত সায়েমের মুখে সম্পূর্ণ বিবরণ নেয়া হয়নি, তবে তাঁর বাপ আবুল কালাম বলেছেন যে সন্দেহ বাড়ছে যে সালিম উল্লাহ মোবাইল মেরামতের বকেয়া চাওয়ার কারণে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

মোবাইল মেরামতের বকেয়া বিষয়ে গুরুতর প্রতিক্রিয়া

অভিযুক্ত সায়েম দাবি করেছেন যে তিনি মোবাইল মেরামতের বকেয়া পরিশোধের জন্য ছুরি ব্যবহার করেন। তিনি বলেছেন, "মোবাইল মেরামতের বকেয়া পরিশোধ করতে পারি নি, তাই নিহত হামিদকে হত্যা করেছি।" এ ঘটনায় পুলিশ জানায় যে মোবাইল মেরামতের বকেয়া বিষয়ে দুই ব্যক্তির মধ্যে বিতর্ক চলছিল। তবে সালিম উল্লাহ স