Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

মনপুরা-তজুমদ্দিন / বন্ধ সি-ট্রাক, ‘ডেঞ্জার জোনে’ যাতায়াতে ভরসা ট্রলার

Published May 29, 2026 · Updated July 21, 2026 · By John Jones - bangladailypost.com

Foto : John Jones - bangladailypost.com

মনপুরা-তজুমদ্দিন রুট: যাতায়াত বন্ধ হওয়ায় প্রাণহানির আশঙ্কা

Bangladailypost.com – মনপ র তজ মদ দ ন বন - ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় প্রতিদিন বিপন্ন হচ্ছে অসংখ্য যাত্রী। তাদের একমাত্র সড়ক পরিবহন মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে সি-ট্রাকটি, যার নাম ‘এসটি ইলিশা’। কিন্তু প্রায় দুই মাস ধরে এ ট্রাকটি বন্ধ রয়েছে। এর ফলে মনপুরা থেকে তজুমদ্দিন এবং তজুমদ্দিন থেকে মনপুরা যাওয়া হচ্ছে অবৈধ ট্রলারের মাধ্যমে। এখন নদীতে স্রোত ভারী হয়ে উঠেছে এবং ঝড়ের আশঙ্কাও বিদ্যমান।

ট্রলারে যাতায়াত: ঝুঁকি প্রাণের বিনিময়ে

“নদীর যে স্রোত তাকে মনে হয় সাগর পাড়ি দিয়ে মনপুরা যাচ্ছি। সি-ট্রাক থাকলে ঝুঁকিটা কম থাকে। কিন্তু ট্রলারে এই নদী পাড়ি দেওয়া চরম ঝুঁকিপূর্ণ। দুই মাস ধরে সি-ট্রাক বন্ধ রয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির কোনো ভূমিকা নেই। এতে বোঝা যায় বিআইডব্লিউটিসি তাদের দায়িত্ব পালন করছে না,” বলেন মনপুরার কলেজের প্রভাষক খালেদা রোকসানা।

এই সি-ট্রাকটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে প্রায় দুই মাস বন্ধ ছিল। নতুন ইজারাদার নিয়োগ হলেও এখনও চালু হয়নি সি-ট্রাকটি। সি-ট্রাক দিয়ে যাতায়াত করলে দেড় থেকে দুই ঘণ্টা সময় লাগতো। কিন্তু ট্রলারে সময় লাগে ৩-৪ ঘণ্টা। ফলে যাত্রীদের প্রাণের ঝুঁকি আরও বেশি হয়ে উঠছে। যাত্রীদের আতঙ্ক ও ভীতি বৃদ্ধি পেয়েছে ডেঞ্জার জোন হিসেবে চিহ্নিত রুটে।

নৌ পরিবহন করপোরেশনের অবহেলা আরো তীব্র

“এটি চরম অবহেলা যে দুই মাস ধরে সি-ট্রাক চলাচল বন্ধ আছে। অথচ বিআইডব্লিউটিসি কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এটা পরিষ্কার বিআইডব্লিউটিসি মনপুরা ও তজুমদ্দিন রুটের যাত্রীদের সঙ্গে চরম স্বেচ্ছাচারিতা করছে।” বলেন যাত্রী মিজানুর রহমান ও মো. মহিউদ্দিন।

বিআইডব্লিউটিসি কোনো পরিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছে কেন সি-ট্রাক চালু হয়নি। যাত্রীদের প্রশ্ন হচ্ছে যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে অনেক যাত্রীর প্রাণহানি হবে। তখন এর দায়ভার কে নেবে? এই রুট তো ডেঞ্জার জোন।

সংকট চরফ্যাশন থেকে মনপুরায় বাড়ি আসা জন্য

ভোলার চরফ্যাশনে বাড়ি আনোয়ারা বেগমের মেয়ে অসুস্থ হয়ে মনপুরায় বিয়ে দিয়েছে। তিনি চরফ্যাশন থেকে মনপুরায় যাওয়ার জন্য ট্রলারে করে নৌ পরিবহন করছেন। কিন্তু সি-ট্রাক বন্ধ ছিল এবং নদীতে কোনো নিরাপদ নৌযান না থাকায় তিনি তজুমদ্দিন এসে সি-ট্রাকে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হন।

“মনপুরা থেকে ট্রলারে করে তজুমদ্দিন ঘাটে এসেছি। তবে পুরো যাত্রাপথে আতঙ্কে ছিলাম। বড় বড় ঢেউয়ে ট্রলার কাঁপছিল