Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ভারতে তেলাপোকা পার্টির প্রধানকে নিয়ে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা

Published June 5, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Jennifer Garcia - bangladailypost.com

Foto : Jennifer Garcia - bangladailypost.com

ভারতে তেলাপোকা পার্টির প্রধানকে নিয়ে ফের রাজনৈতিক উত্তেজনা

Bangladailypost.com – ভ রত ত ল প ক প - ভারতে ব্যঙ্গ প্রচারের জন্য জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চালু করা হয়েছে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম বা আন্দোলন। এটি ‘ককরোচ (তেলাপোকা) জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নামে পরিচিত এবং বিজেপি দলের নামের অনুকরণে তৈরি হয়েছে। এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল প্রধান বিচারপতি একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে।

সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপক যুক্তরাষ্ট্র থেকে নয়াদিল্লিতে ফিরছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া আন্দোলনটিকে রাজপথে পরিচালনা করতে চাইছেন। এই বিষয়ে দেশে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে যেহেতু আন্দোলনটি শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ নিয়ে আসছে।

৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দিপক শুক্রবার (৫ জুন) বলেন, তিনি ভারতে ফিরছেন। শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করার জন্য পুলিশের অনুমতি চাইবেন। তিনি আরও বলেন, আমরা আইন মেনে চলা নাগরিক এবং দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যাতে কেউ কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে।

“আমি ভারতের পথে... আমার ভাগ্য সংবিধানের হাতে ছেড়ে দিলাম।”

সিজেপি নামের প্রস্তাব গত ১৬ মে অনলাইনে চালু করা হয়। এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছিল। প্রায় শিক্ষামন্ত্রী গত সেপ্টেম্বরে গ্রেফতার হওয়ার পর তিনি ছয় মাস আটক ছিলেন।

লাদাখের বিশিষ্ট সমাজকর্মী সোনাম ওয়াংচুক সিজেপি আন্দোলনে যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করবেন বলে জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্টের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে সিজেপি কয়েকটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট এখনও ভারতে সচল রয়েছে। এখানে অনুসারীর সংখ্যা ২ কোটি ২০ লাখেরও বেশি।

তিনি আরও বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লি বিমানবন্দরে যোগ দেওয়ার জন্য মানুষের বিপুল সাড়া পেয়েছিলেন। তবে সেই জনসংখ্যা কারণে বিমানবন্দরে ভিড় না করার আহ্বান দেওয়া হয়েছে।

আগে দিপক বিরোধী দল আম আদমি দলের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলবিদ হিসেবে কাজ করেছেন। তরুণদের জন্য, তরুণদের দ্বারা, তরুণদের রাজনৈতিক মঞ্চ নামকরণে এই প্ল্যাটফর্ম গড়ে ওঠে।