News

ভাংড়ি মামা: যেখানে প্লাস্টিক বর্জ্যের বদলে মিলছে চারাগাছ

ভাংড়ি মামা: প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিবর্তে চারাগাছ পাওয়া যাচ্ছে ভ ড় ম ম - বর্তমানে পরিবেশ দূষণের সমস্যায় আবির্ভূত হয়েছে প্লাস্টিকের ব্যবহার। শহর এবং গ্রামে

Desk News
Published June 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
f2d6d558-6419-4869-b8e7-ed69aaa58c13-0
Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

ভাংড়ি মামা: প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিবর্তে চারাগাছ পাওয়া যাচ্ছে

Bangladailypost.com – ভ ড় ম ম – বর্তমানে পরিবেশ দূষণের সমস্যায় আবির্ভূত হয়েছে প্লাস্টিকের ব্যবহার। শহর এবং গ্রামে নদী, পানি ও ভূমি অবরুদ্ধ হয়ে পরিবেশের জন্য অপরিহার্য ধ্বংস ঘটছে। এ ক্ষেত্রে মিশন গ্রিন বাংলাদেশ একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছে যা প্লাস্টিক দূষণ কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকার করতে উদ্দেশ্য পূর্ণ করবে।

এই প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ভাংড়ি মামা। এ উদ্যোগ দ্বারা যারা প্লাস্টিক বোতল ফেলে দেয়, তারা প্রতিদিন একটি চারাগাছ পাবে। বিশেষ করে গাজীপুরে স্থায়ী বুথ উদ্বোধন করা হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের প্রাক্কালে।

“আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও পাড়া-মহল্লায় ভাংড়ি মামা বুথ ছড়িয়ে দেওয়া। প্রতিটি বুথ হবে এক একটি পরিবর্তনের কেন্দ্রবিন্দু।”

এই প্রকল্পের শর্ত অত্যন্ত সরল। কেউ কেউ নিজের বাড়িতে জমা থাকা বা রাস্তায় কুড়িয়ে নেওয়া ১০টি খালি প্লাস্টিক বোতল ভাংড়ি মামা বুথে দিলে, তারা বিনামূল্যে একটি জীবন্ত গাছ পাবে। ক্যাম্পাসে বিভিন্ন কার্যক্রমে এই উদ্যোগ চালু হয়েছে তরুণ প্রজন্মের সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য।

তার পর থেকে এই সফলতার পর এবার গাজীপুরে প্রথম স্থায়ী বুথ স্থাপন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ যে কোনো দিন এখানে আসে এবং প্লাস্টিক বোতল জমা দিয়ে চারাগাছ পেতে পারে। প্লাস্টিক বর্জ্য দূর করা এবং বৃক্ষ রোপণ বৃদ্ধি পাবে এ বুথে নিয়মিত প্লাস্টিক বোতল সংগ্রহ হচ্ছে।

মিশন গ্রিন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী, মানুষ প্লাস্টিককে আবর্জনা ভাববে না বরং মূল্যবান সম্পদ হিসেবে দেখবে। ক্যাম্পাসের সাময়িক বুথ পরিচালনা করেছে প্রতিদিন শত শত প্লাস্টিক বোতল সংগ্রহ করা হয়েছে এবং প্রায় ৩০ হাজারের বেশি চারাগাছ বিতরণ করা হয়েছে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে।

গাজীপুরে প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ধারণা পরিবর্তনের মাধ্যমে আমাদের স্বপ্নের শুরু হয়েছে। নার্সারির মালিক, স্পন্সর এবং তরুণদের আহ্বান জানানো হয়েছে এই সবুজ বিপ্লবকে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে।

পরিবেশ রক্ষার বিকল্প নেই এ নিয়ে কথা হলে অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বলেন, “সাধারণ মানুষ প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় বিপুল অবদান রাখবে। এর মাধ্যমে পরিবেশ থেকে প্লাস্টিক দূষণ দূর হবে এবং বৃক্ষ রোপণ বেশি হবে।”

এই মডেলটি বাংলাদেশের প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের সারা দেশে যারা পার্টনারশিপ বা বুথ স্পন্সর করতে চান, তারা হোয�

Leave a Comment