Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক খামারে চারদিনে তিনশ’ হাঁসের মৃত্যু

Published May 31, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Daniel Williams - bangladailypost.com

Foto : Daniel Williams - bangladailypost.com

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক খামারে চারদিনে তিনশ’ হাঁসের মৃত্যু

Bangladailypost.com – ব র হ মণব ড় য় য় - ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার একটি খামারে গত চারদিনে প্রায় তিনশত হাঁস মৃত্যুবরণ করেছে। এই খামারে আগে এক হাজার ৫৫টি হাঁস ছিল, যা এখন প্রায় আড়াইশতে এসে পৌঁছেছে। খামারের মালিক মো. জাহাঙ্গীর মোল্লার অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কাউকে সাহায্য পেতে পারেননি তিনি। তবে স্থানীয় সাংবাদিকদের যোগাযোগের পর আনুষ্ঠানিক পরামর্শ দেওয়া হয়।

খামারের প্রাথমিক অবস্থা

মো. জাহাঙ্গীর মোল্লার হাঁসের খামারটি গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে অবস্থিত। খামারটি মাস চারেক আগে তৈরি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, প্রবাস থেকে ফেরত আসার পর কৃষি করেছিলেন। অগ্রনিবেশ করে দেখা গেছে এ খামার গড়ে তুলেছিলেন।

হাঁস মৃত্যুর কারণ বিচারের প্রক্রিয়া

তিনি আরও বলেন, হাঁসগুলি ঈদের দিন থেকে ধীরে ধীরে মরতে শুরু করেছিল। ১৫-২০ দিনের মধ্যে কিছু হাঁস ডিম পারতে শুরু করে। তবে পরে হাঁস মৃত্যুর হার বেড়ে যায়। প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের যোগাযোগ করলে বলা হয় ঈদের ছুটির কারণে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। শনিবার আনুষ্ঠানিক ওষুধ লিখে দেওয়া হয়।

“প্রবাস থেকে আসার পর কৃষি করতাম। আগে থেকে চিন্তাভাবনা ছিল, সে কারণে মাস চারেক আগে হাঁসের খামার গড়ে তুলি। মোট এক হাজার ৫৫টি হাঁস ছিল, যা এখন প্রায় আড়াইশতে এসে পৌঁছেছে।”

চারদিনের মৃত্যুর পরিস্থিতি

খামার নিয়ে তার ছেলে বেশ চিন্তিত। তিনি বলেন, আরও কিছু হাঁস অসুস্থ হয়ে আছে। সেগুলি খাওয়া-দাওয়া করছে না। প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে সহযোগিতা পেতে পারেননি তিনি। স্থানীয় ফার্মেসিতে হাঁসের টিকা দেওয়া এবং অন্যান্য সেবা প্রদান করেছেন।

“প্রায় আড়াইশত হাঁস মারা গেছে। অন্তত ৫০টি হাঁস জবাই করে পরিচিতদেরকে দিয়ে দিয়েছি। আরও কিছু হাঁস অসুস্থ হয়ে আছে।”

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার মতে

আখাউড়ার উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশিকুজ্জামান বলেন, হাঁস মরতে পারে ভাইরাস সংক্রমণ বা কীটনাশক থাকা জমিতে খাওয়ার কারণে। খামারে হাঁস রাখার ঘর ছোট হওয়া তার প্রকৃত কারণ হতে পারে। তিনি আরও বলেন, খামারিকে কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং চিকিৎসা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ওষুধ লিখে দেওয়া হয়েছে।

এ খামারের নিয়োগ হয়েছে মো. জাহাঙ্গীর মোল্লা। তিনি কিছু সূত্রে জানান যে কীটনাশক ও ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে এমন ক্ষতি হতে পারে।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এনএইচআর/এমএস