Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

বাঁশের আঘাতে বাবার চোখ নষ্ট, ছেলের ১২ বছরের কারাদণ্ড

Published May 19, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

বাঁশের আঘাতে বাবার চোখ নষ্ট, ছেলের ১২ বছরের কারাদণ্ড

আদালতের রায় এবং সাজা প্রক্রিয়া

Bangladailypost.com – ব শ র আঘ ত ব ব - আদালত ছেলে এমদাদুল হক বাদলকে ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে বাবার চোখে গজালযুক্ত বাঁশ দিয়ে আঘাত করার ঘটনার জন্য। বাদলের স্ত্রী মোছা রতনাকে বেকসুর খালাস করেছে। সোমবার (১৮ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন রায় ঘোষণা করেন। সাজার তুলনায় তিনি বাদলকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা ও বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় জানানোর সময় তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়, পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাহবুবুল আলম আদালতকে জানান, ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা গেঞ্জি, একটি বাঁশ, গজাল এবং সিসিটিভি ফুটেজ জব্দ করা হয়। পরে ফুটেজ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত (সিআইডি) বিভাগে পাঠানো হয়।

ঘটনার বিবরণ ও পরিবারের প্রতিক্রিয়া

২০২৫ সালের ১৫ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার একটি বাসায় ঘটনাটি ঘটে। আব্দুল লতিফ ভবনের দ্বিতীয় তলায় এবং তার ছেলে বাদল তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন। ঘটনার সময় বাড়ির কেয়ারটেকার ছামিউল হক বাদলকে জানান, তার বাবা টাকা চাইছেন। এরপর নিচে গিয়ে বাবার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন বাদল। দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও গালাগাল শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।

সাক্ষীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বাদল ও তার বাবার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক ও আর্থিক বিরোধ চলছিল। ঘটনার সময় চিৎকার শুনে আশপাশের বাসিন্দারা বাইরে এসে আব্দুল লতিফকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। কয়েকজন সাক্ষী বাদলের হাতে বাঁশও দেখেছেন বলে আদালতে জানান।

আসামিপক্ষ দাবি করেছে যে ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে সাজানো হয়েছে এবং ভুক্তভোগী পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন। তবে সাক্ষ্য, চিকিৎসা নথি, সিসিটিভি ফুটেজ ও ফরেনসিক আলামত পর্যালোচনার পর আদালত অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে রায়ে উল্লেখ করেন। তবে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায�