News

বগুড়ার হাটে হাটে ‘হাসিল সন্ত্রাস’

বগুড়ার হাটে হাটে ‘হাসিল সন্ত্রাস’ বগ ড় র হ ট হ ট - ঈদ কোরবানির আগে বগুড়া জেলার পশু বাজারগুলোতে প্রচুর বাণিজ্য চলছে। সদর উপজেলার ছোট-বড় অর্ধশতাধিক হাটে গরু

Desk News
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
3c388c12-9686-427f-8ecb-f8af828aae02-0
Foto : Mary Williams - bangladailypost.com

বগুড়ার হাটে হাটে ‘হাসিল সন্ত্রাস’

Bangladailypost.com – বগ ড় র হ ট হ ট – ঈদ কোরবানির আগে বগুড়া জেলার পশু বাজারগুলোতে প্রচুর বাণিজ্য চলছে। সদর উপজেলার ছোট-বড় অর্ধশতাধিক হাটে গরু ও ছাগল বিক্রি হচ্ছে। তবে এ সময় ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে নতুন কঠিনতা সৃষ্টি হয়েছে। হাসিল আদায়ের হার সরকার দ্বারা নির্ধারিত হলেও বিভিন্ন হাটে তা অগ্রাহ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জানা গেছে।

নির্ধারিত হার বাদে বেশি আদায় হচ্ছে

জেলার প্রায় সব বড় পশু বাজারে হাসিল আদায়ের হার বেশি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী গরু ও ছাগলের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ হাসিল করতে হয়। কিন্তু বাস্তবে ক্রেতার কাছ থেকে এবং বিক্রেতার কাছ থেকে কয়েকশ টাকা বেশি হাসিল করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

হাসিল যেভাবে নিতে বলা হয়েছে সেভাবেই নিচ্ছি। বেশি কেন আদায় করা হচ্ছে তা ইজারাদার বলতে পারবে।

হাটের নিয়ন্ত্রণ সংকট

সাবগ্রাম হাটে ইজারাদার বলেন, হাট ইজারা নেওয়ার জন্য ১ কোটি ৫ লাখ ৩ হাজার টাকা দিয়ে হাটটি নেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে ভ্যাট, আয়কর ও জামানত দিতে হয়। বাজার পরিস্থিতি খুব ভালো নয় বলে তিনি জানান। সেই ভিত্তিতে সরকারি হারে হাসিল আদায় করা সম্ভব নয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

কেউ চাইলে রসিদে হাসিলের পরিমাণ লিখে দেই, না চাইলে লিখি না। তবে দেখা গেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রসিদে হাসিলের পরিমাণ লেখা হচ্ছে না।

উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়

সদর উপজেলার ধাওয়াপাড়া এলাকার একজন ব্যবসায়ী জানান, ৫০০ টাকা হাসিল করেছেন একটি ছাগল কিনতে। সে বলেন, এটা ছাগলের জন্য স্বাভাবিক হার নয়। আগে শুধু ক্রেতার কাছ থেকে টাকা নিত। এখন বিক্রেতার কাছ থেকেও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান।

সাবগ্রাম হাটে গরু বিক্রি করতে আসা খামারি বলেন, একটি ষাঁড় কিনেছি ১ লাখ ১৫ হাজার টাকায়। হাসিল করতে হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা। বিক্রেতার কাছ থেকে সে বিক্রি করতে হাটে গিয়েছেন টেংরা গ্রামের শামিম হোসেনকেও হাসিল দিতে হয়েছে ২০০ টাকা।

অতিরিক্ত আদায়ের আরো প্রমাণ

হাটে প্রবেশ করার পর কয়েকজন লোক একসঙ্গে ঘিরে ধরে টাকা আদায় করছে। কেউ প্রশ্ন তুললে রসিদ দিতে দেরি করে দেওয়া হয়। পশু ওঠানো-নামানো নিয়ে ঝামেলা করছে।

বগুড়ায় কয়েকটি বড় হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। নির্দিষ্ট হার অনুযায়ী ছাগলের জন্য হাসিল আদায

Leave a Comment