Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পুলিশ বাবা করলেন অপহরণের মামলা, লাইভে এসে মিথ্যা দাবি মেয়ের

Published June 5, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Richard Moore - bangladailypost.com

Foto : Richard Moore - bangladailypost.com

পুলিশ কনস্টেবলের মেয়ে নিখোঁজ হওয়ায় ঘটনার অস্পষ্টতা বৃদ্ধি পেয়েছে

Bangladailypost.com – প ল শ ব ব করল ন - বগুড়া জেলার আদমদীঘি থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মো. রানা মাসুদের ১৭ বছর বয়সী কন্যা তসনিয়া রানা তামান্না (১৭) নিখোঁজ হওয়ার পর ঘটনার মূল প্রকৃতি নিয়ে কনফাসন সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বাবা হিসেবে নিজের মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন এবং মামলা করতে গিয়ে ওসি থেকে ঘুস দাবি করেছেন।

মেয়ে ফেসবুক লাইভে মিথ্যা দাবি নাকচ করেন

৪ বছরের প্রেমের সম্পর্কের জেরে তামান্না বিয়ে করছেন এবং নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি করেন। তিনি ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে এক বিবৃতিতে ঘোষণা করেন, তার নামে অপহরণের মামলা পুরোপুরি অযৌক্তিক। বাবা এবং পরিবারের লোকজন তাঁর সম্পর্ক স্বীকার করছে না, তাই বানোয়াট গুজব ছড়িয়েছেন।

"আমি বিচার পাচ্ছি না, আমি পুলিশের সদস্য হয়েও এটা হচ্ছে। দেশের সাধারণ মানুষ কীভাবে বিচার পাবে তা চিন্তা করতে হবে।"

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তামান্নাকে আদালতে হাজির করেন ৩০ এপ্রিল তারিখে ডাক্তারি পরীক্ষার ভিত্তিতে। সেখানে তিনি জবানবন্দি দেন যে তিনি শহিদ হোসেনের (১৮) সঙ্গে বিয়ে করেছেন। আদালতের মাধ্যমে বাবার জিম্মায় ফেরত পেয়ার পর তামান্না আবারও শহিদের সাথে পালিয়ে যান। ঘটনার পর রানা মাসুদ আবার অভিযোগ দায়ের করেন এবং গত ৭ মে আদমদীঘি থানায় নতুন মামলা তৈরি হয়।

অভিযুক্ত ওসি ঘুস দাবি নাকচ করেন

আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুজ্জামান মিয়া ঘুস দাবি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ঘুসের বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা। পুলিশের মেয়ে মানে সে আমাদেরও মেয়ে। যথাসময়ে তার মামলা করা হয়েছিল।

"আমি রাজি হননি কোনো মামলা না করার শর্তে স্বাক্ষর দিতে।"

পুলিশ সদস্য রানা মাসুদ দাবি করেন, গত ১ মে মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি থানায় গেলে ওসি তাঁকে টাকা দাবি করেছিলেন। তিনি মুঠোফোনে ডিআইজি তদন্তে আবেদন করেন, ফলে প্রথমে সাধারণ ডায়েরি এবং পরে মামলা নেওয়া হয়। এক মাসের মধ্যে মেয়ে উদ্ধার না হওয়ায় তিনি স্ত্রী সহ ঢাকা প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।