Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পাহাড়ের কোলে বেড়ে ওঠা গরুতে ভরপুর রাঙ্গামাটির মাইনীমুখ হাট

Published May 17, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Elizabeth Martin - bangladailypost.com

Foto : Elizabeth Martin - bangladailypost.com

রাঙ্গামাটির মাইনীমুখ হাটে কোরবানির ঈদে বিক্রি শুরু

Bangladailypost.com – প হ ড় র ক ল ব - সামনে আসা কোরবানি ঈদের কারণে রাঙ্গামাটির বৃহত্তম পশু বিক্রি হাট মাইনীমুখ জম করে উঠেছে। এখানে সাধারণত পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা দেশি জাতের গরু ও ছাগল দেখা যায়। তবে ক্রেতা-বিক্রেতার প্রবাহ ছাড়াও এবার মূল্য না পেয়ে ব্যবসায়ীরা কিছুটা বিরক্ত হয়েছেন।

শনিবার (১৬ মে) মাইনী ও কাচালং নদীর মোহনায় অবস্থিত হাটে ব্যাপক সংখ্যক লোক আসে। লংগদু উপজেলার খামারি বশির মিয়া সাড়ে চার মণ ওজনের একটি দেশি ষাঁড় বিক্রি করেন ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকায়। তিনি জানান, 'ছয় মাস আগে সেই ষাঁড়টি ৮০ হাজার টাকায় কিনেছিলাম। খাবার ও পরিচর্যার খরচ বাদ দিলে লাভ খুব সীমিত। এবার বাজার কিছুটা নরম হয়েছে।'

মৌসুমি ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদিন জানান, গত হাটে চারটি গরু বিক্রি করে তিনি ৪০ হাজার টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আজ দুটি গরু বিক্রি করে পাঁচ হাজার টাকা লাভ করেন। চট্টগ্রামের হাটহাজারী থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ী রুবেল হোসেন বলেন, 'পাহাড়ের দেশি গরুর চাহিদা বেশি থাকায় প্রতি বছর এখান থেকে গরু কিনি। এবার কেনার দাম কিছুটা কম হলেও পরিবহন খরচ অনেক বেড়ে গেছে।'

মাইনীমুখ বাজারের ইজারাদার সনজিত দাশ জানান, এবার হাটে গরু ও ছাগলের জোগান আগেকার মতো কম। বরকল উপজেলার সুবলং বাজারে নতুন বড় হাট বসানোর কারণে অনেক খামারি সরাসরি সেখানে চলে গেছেন। তিনি বলেন, অন্যান্য বছর এ হাট থেকে আট থেকে দশ লাখ টাকা আয় হয়েছে। কিন্তু এবার পাঁচ লাখ টাকা হাসিল করাই কঠিন হয়েছে।

মাইনীমুখ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম জানান, নৌ পথ ও সড়কপথের সুবিধা থাকায় দেশের বিভিন্ন কোণে ব্যবসায়ীরা এখানে আসেন। কোরবানির মৌসুমে হাটে কোটি কোটি টাকার পশু কেনাবেচা হয়।

হাটে আসা অধিকাংশ পশুই সুস্থ ও হৃষ্টপুষ্ট। তবে গাদাগাদি এবং বোটে ওঠানো-নামানোর সময় অনেক পশু আহত হয়। আমরা সেগুলোর চিকিৎসা দিচ্ছি। পাশাপাশি কোনো গাভী গর্ভবতী কি না, তা-ও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।' - লংগদু উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রতন দে