Bangladailypost
Fast mobile article powered by Nexiamath-SEO AMP.
AMP Article

পারিবারিক কলহের জেরে নারী পোশাককর্মীর গলায় ফাঁস

Published May 21, 2026 · Updated July 21, 2026 · By Karen Wilson - bangladailypost.com

Foto : Karen Wilson - bangladailypost.com

পারিবারিক কলহের জেরে নারী পোশাককর্মীর গলায় ফাঁস

ঘটনার প্রতিক্রিয়া

Bangladailypost.com – প র ব র ক কলহ র - পরিবারিক কলহ হারিয়ে কারাগারে আটকে যাওয়া নারী পোশাককর্মী সুমাইয়া খাতুন জেরিনের মৃত্যু বাংলাদেশের মুগদা থানার উত্তর মান্ডা এলাকায় ঘটে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পর মৃতদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজের ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। পরিবারের মধ্যে তীব্র কলহের জেরে তিনি নিজের রুমে প্রবেশ করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন। পরে তাকে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত করে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছিল যে সুমাইয়া আক্তার শেরপুর জেলার সদর শহরের চক্রামপুর গ্রামে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে। বর্তমানে তিনি মুগদার উত্তর মান্ডায় ভাড়া বাসায় বাস করতেন এবং কাজ করতেন পোশাক শ্রমিক হিসেবে। এই বাসায় তার স্বামী আকরাম হোসেন এবং শাশুড়ি থাকতেন। তাদের মধ্যে বিতর্ক ছিল এবং পরিবারিক কলহ বাড়তে থাকে।

তার স্বামী আকরাম হোসেন শান্ত অটোরিকশাচালক হিসেবে কাজ করতেন। পরিবারের কলহের কারণ বিশ্লেষণের জন্য তার কাছে গুরুতর চাপ ছিল। পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করার মধ্যে তিনি নিজের পরিবারের সম্পর্ক পরিচালনার জন্য ব্যস্ত ছিলেন। পরিবারিক কলহ তার মানসিক স্থিতি ক্ষুণ্ন করে। এই পরিস্থিতি থেকে তিনি প্রাণ ত্যাগ করেন।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক ইউসুফ মৃধা জানান যে সুমাইয়া খাতুন জেরিন মৃত্যুর সময় পরিবারের সদস্যদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়েছিল। তার স্বামী আকরাম হোসেন এবং শাশুড়ির মধ্যে সংঘাত ছিল। সংঘাতের ফলে সুমাইয়া নিজের রুমে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেন। এই পরিবারিক কলহ তার জীবনের মানসিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

পরিবারের গুরুতর কলহের কারণ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। পরিবারিক কলহ ঘটনার প্রতিক্রিয়া নিয়ে কর্মকর্তারা কমিটি গঠন করেছেন। তারা এই ঘটনার প্রতিবেদন সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করবেন।

পরিবারের কলহ ঘটনার পর থেকে বিশেষ মূল্য বহন করে। সুমাইয়া খাতুন জেরিন মোট ২২ বছর বয়সে এই কলহের জেরে জীবন হারিয়েছিলেন। তার স্বামী আকরাম হোসেন এবং শাশুড়ির মধ্যে তীব্র বিতর্ক ছিল। পরিবারিক কলহ তার মানসিক চাপ বৃদ্ধি করে। আইনি প্রক্রিয়ায় তার মৃত্যুর কারণ নির্ধারণ করা হবে।

মুগদা থানার স্থানীয় বাসিন্দারা তার মৃত্যুতে বিষণ্ণ। পরিবারের কলহ ছিল কিন্তু প্রতিক্রিয়া তার জীবন জুড়ে প্রভাব ফেলে। সুমাইয়া কাজে লাগতেন পোশাক শ্রমিক হিসেবে এবং পরিবারের সম্পর্ক পরিচালনার জন্য সময় ব্যয় করতেন। পরিবারিক কলহ তার মনে বিষাদ ফেলে।

তার স্বামী আকরাম হোসেন আর শাশুড়ির মধ্যে বিতর্ক ছিল। পরিবারের কলহ ঘটনার পর সমাজ থেকে তার প্রতি চাপ ছিল। তিনি নিজের পরিবারের সম্পর্ক দূরে সরি�